শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার নৈনগাঁও গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাতে পশ্চিম নৈনগাঁও গ্রামের জব্বার আলীর বাড়িতে সিঁধ কেটে চোর ঢোকে। এ সময় চোরেরা জব্বার আলীর পরিবারের সদস্যদের তিনটি মুঠোফোন চুরি করে নিয়ে যায়।
.png)
এ ঘটনায় গ্রামের আব্দুল মছব্বিরের ছেলে শালনীনকে সন্দেহ করে তাঁর পরিবারের লোকজন ধরে নিয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তাঁকে পুলিশের কাছে দেওয়া হয়। পুলিশ মোবাইল চুরির ঘটনায় নিশ্চিত না হওয়ায় শালনীনকে মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত একটি মামলায় আদালতে পাঠায়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার দুপুরে জব্বার আলীর চাচা রফিক আলী ও তাঁর ছেলে আলামিন আব্দুল মছব্বিরের ভাই সেলিম আহমেদকে ধরে আনতে যান। সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সেলিম আহমেদকে রামদা দিয়ে কোপানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
এরপর সেলিম আহমেদের পক্ষ নিয়ে স্থানীয় কয়েকজন এগিয়ে এলে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় ২০ জন আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
ওসি আরও বলেন, শনিবার বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ বা মামলা করতে আসেনি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।