কটিয়াদীতে গ্রেপ্তার স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা কারাবন্দী অবস্থায় মৃত্যু
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার হওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল আমিন রুহুল সরকার (৫০) কারাবন্দী অবস্থায় মারা গেছেন।
শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
.png)
মৃত খাইরুল আমিন রুহুল সরকার কটিয়াদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং লোহাজুরী ইউনিয়নের দশপাখি গ্রামের মৃত উসমান গণির ছেলে।
কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দী অবস্থায় হঠাৎ বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন খাইরুল আমিন। পরে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিকেলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
উল্লেখ্য, গত ৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে খাইরুল আমিন রুহুল সরকারকে গ্রেপ্তার করে কটিয়াদী মডেল থানার পুলিশ। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
খাইরুল আমিন রুহুল সরকারের বড় ভাই ও চরঝাকালিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল আমীন জানান, কারা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খবর পেয়ে আমরা কিশোরগঞ্জে হাসপাতালে ছুটে যাই। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলা হলেও প্রায় চার ঘণ্টা পর ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে নেওয়ার পরও তাকে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। কারাবন্দী অবস্থায় তিন দিন ধরে বুকে ব্যথার কথা জানালেও কারা কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করেনি। সময়মতো যথাযথ চিকিৎসা পেলে হয়তো তার শারীরিক অবস্থা এতটা সংকটাপন্ন হতো না।
কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার নাশির আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কারাগারে থাকা অবস্থায় তার বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট শুরু হলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।