ঢাকা,  সোমবার   ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

[ অর্থনীতি ]

বৈদেশিক মুদ্রার ১৫ শতাংশ জমা রাখতে পারবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:০১, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
বৈদেশিক মুদ্রার ১৫ শতাংশ জমা রাখতে পারবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
ছবি: সংগৃহীত

বিদেশি পর্যটক ও ভ্রমণকারীদের কাছে পণ্য ও সেবা বিক্রি করে আয় করা বৈদেশিক মুদ্রার সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ নিজস্ব বৈদেশিক মুদ্রা (এফসি) অ্যাকাউন্টে জমা রাখতে পারবে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো। তবে বাকি ৮৫ শতাংশ অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশি টাকায় রূপান্তর করতে হবে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। এতে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নতুন এ সুবিধার আওতায় হোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, শপিংমলসহ বিদেশি পর্যটকদের কাছে পণ্য ও সেবা বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো আসবে।

সার্কুলার অনুযায়ী, আন্তর্জাতিকভাবে ইস্যু করা ডেবিট, ক্রেডিট ও ট্রাভেল কার্ডের পাশাপাশি অন্যান্য অনুমোদিত পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার ক্ষেত্রে এ সুবিধা পাওয়া যাবে। যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের নামে পরিচালিত এফসি অ্যাকাউন্টে আয়ের সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ সংরক্ষণ করতে পারবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করা এবং বিদেশি পর্যটকদের কাছে পণ্য ও সেবা বিক্রিতে ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বৈধ বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা ও আর্থিক দায় মেটাতে পারে, সে সুযোগও রাখা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এফসি অ্যাকাউন্টে জমা রাখা অর্থ বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন মেনে আন্তর্জাতিক কার্ডের বিলসহ চলতি হিসাবের বিভিন্ন বৈধ দায় পরিশোধে ব্যবহার করা যাবে।

তবে এ সুবিধা দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক কার্ড ও অন্যান্য অনুমোদিত মাধ্যমে অর্থ গ্রহণের প্রয়োজনীয় কারিগরি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা রয়েছে কি না, তা যাচাই করতে হবে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলোকে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সিদ্ধান্ত পর্যটন ও সেবা খাতের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা সহজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গ্রহণের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রায় বৈধ দায় পরিশোধের সুযোগও বাড়বে।

একই সঙ্গে বিদেশি পর্যটকনির্ভর ব্যবসায় নতুন গতি আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!