ঢাকা,  বৃহস্পতিবার   ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

[ শিক্ষা ]

সরকারি মাধ্যমিক স্কুলে ভর্তি লটারি অনলাইনে, ফি ও নীতিমালা প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:১৮, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
সরকারি মাধ্যমিক স্কুলে ভর্তি লটারি অনলাইনে, ফি ও নীতিমালা প্রকাশ
ছবি: সংগৃহীত

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন নীতিমালায় প্রথম শ্রেণিতে আবেদনের ফি সর্বোচ্চ ১১০ টাকা এবং দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি ফি সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সেশন চার্জসহ আনুষঙ্গিক ফি নির্ধারণে মানতে হবে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা।

নীতিমালা অনুযায়ী, আবেদন গ্রহণ, ফি জমা দেওয়া, লটারি প্রক্রিয়াকরণ এবং চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের সব কাজ অনলাইনে নির্ধারিত সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল লটারির আগেই স্বীকৃত একটি কারিগরি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে সফটওয়্যারের নিখুঁততা পরীক্ষা করানো বাধ্যবাধকতা করা হয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এক কর্মস্থল থেকে অন্য কর্মস্থলে স্থানান্তরিত হলে তাদের সন্তানদের সরকারি বা বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে বদলির আদেশ জারির ১২ মাসের মধ্যে যথাযথ প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট ভর্তি কমিটির সভাপতির কাছে লিখিত আবেদন জমা দিতে হবে।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, মহানগর, সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় শহরের ক্ষেত্রে বদলিকৃত নতুন কর্মস্থল যদি আগের স্থান থেকে ১০ কিলোমিটারের বেশি দূরে হয়, তবেই নিকটতম বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ মিলবে। জেলা, উপজেলা ও থানার ক্ষেত্রেও একই নীতি অনুসরণ করা হবে। এ ধরনের স্থানান্তরিত কর্মকর্তাদের সন্তানদের জন্য প্রতিটি শ্রেণির প্রতিটি শাখায় অতিরিক্ত ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে, যেখানে সরকারি বিদ্যালয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা অগ্রাধিকার পাবে। আগের কর্মস্থলে ফেরত এলে নিজ পুরনো স্কুলেও আবার ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে।

এছাড়া, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক ও কর্মচারীদের ভর্তিযোগ্য সন্তানদের জন্য সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত আসন সংরক্ষিত থাকবে। যদি নিজ কর্মস্থলে উপযুক্ত শ্রেণি না থাকে, তবে কাছের সুবিধাজনক অন্য সরকারি স্কুলে তাদের ভর্তির বন্দোবস্ত করা হবে।

পুরো ভর্তি কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা ও তদারকির জন্য ঢাকা মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পৃথক কমিটি দায়িত্ব পালন করবে। ভর্তি সংক্রান্ত কোনো জটিলতা বা অস্পষ্টতা তৈরি হলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!