ঢাকা,  সোমবার   ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

[ জাতীয় ]

পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, প্রথম ভোট ২১ জানুয়ারি

প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ৮১৫ ইউনিয়নে ভোট
বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৩:১৮, ১২ অক্টোবর ২০২৬
পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, প্রথম ভোট ২১ জানুয়ারি
নির্বাচন কমিশনার মো. সানাউল্লাহ | ছবি: সংগৃহীত

দেশে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন পাঁচ ধাপে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী বছরের ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে এ নির্বাচন। আর শেষ ধাপের ভোট হবে ২৭ মে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

ইসি সানাউল্লাহ বলেছেন, প্রথম ধাপে আগামী ২১ জানুয়ারি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি দ্বিতীয় ধাপে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি, তৃতীয় ধাপে আগামী ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপে আগামী ১৩ মে এবং পঞ্চম ধাপে আগামী ২৭ মে ইউনিয়ন পরিষদের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন নিয়ে প্রাক-প্রস্তুতিমূলক সভা করেছি। ৪ হাজার ৩০০’র মতো ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন ২৭ মে ২০২৭ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে। পাঁচ ধাপে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৪ হাজার ৩০০ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন এই পাঁচ ধাপে সম্পন্ন করা হবে। এর মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকারের তৃণমূল পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ এ নির্বাচনি কার্যক্রম শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কমিশন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ৮০টি উপজেলার ৮১৫টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ হবে। এর মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে ইউপি নির্বাচন কবে শুরু হবে এবং কত ধাপে ভোটগ্রহণ করা হবে, তা নির্ধারণে সোমবার কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্য নির্বাচন কমিশনার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, ‘প্রতিটি তারিখই বৃহস্পতিবার পড়েছে। প্রতি নির্বাচনের ৬ সপ্তাহ আগে তফসিল ঘোষণা করবে জেলা প্রশাসক।’

ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকারব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তরগুলোর একটি। এ নির্বাচনের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে চেয়ারম্যান ও সদস্য নির্বাচিত হন। ফলে নির্বাচনের প্রস্তুতি, সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার বিষয়টি কমিশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

নির্বাচনের ধাপ ও তারিখ নির্ধারণের মধ্য দিয়ে ভোট আয়োজনের প্রস্তুতি আরও স্পষ্ট হলো। এখন সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে প্রতিটি এলাকার নির্বাচনি কার্যক্রমের পরবর্তী ধাপ শুরু হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!