ভাগ করে নিই—খুশি ছড়িয়ে দিই
আপনার অপ্রয়োজনীয় জিনিসই কারও প্রয়োজন হতে পারে- শ্লোগানে মানবতার কাজ শুরু করেছে "১০ টাকায় খুশি- 10 Takay khushi" ফেসবুক পেজ। একটি ঘরে বা সংসারে কতকিছুইনা অযথাই পড়ে থাকে, যেমন- শাড়ী, সালোয়ার-কামিজ, ছোটদের জামা-কাপড়, শীতের কাপড়, বিছানার চাদর, জানালার পর্দা থেকে শুরু করে আসবাব এবং ব্যবহার্য তৈজসপত্র।
পড়া হয়না, পুরণো হয়ে গেছে অথবা এমনিতেই পড়ে আছে কতকিছু। কিন্তু এইসব যা কিছু পড়ে আছে আপনার পুরণো বা অপ্রয়োজনের খাতে অথচ এর সবকটিই হয়তোবা অন্য কারো খুব প্রয়োজন। তাই আপনার অপ্রয়োজন যদি কারো প্রয়োজন মেটায় তাহলে ক্ষতি নেই বরং লাভ আছে। একাজটিতে আপনি এগিয়ে আসলে আপনার জন্য সাদকা দায়িত্ব পালন হবে। আপনি সওয়াব পাবেন। এটি একটি মানবিক দায়িত্ব, সামাজিক উদ্যোগ। একাজটি করছে "১০ টাকায় খুশি- 10 Takay khushi" বা খুশির বাজার।ফেসবুক পেজ লিঙ্ক- https://www.facebook.com/10takaykhushi.
- তারা আপনার অপ্রয়োজনীয় জিনিস হতে পারে অন্যের প্রয়োজন ও স্বপ্ন- শ্লোগানে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে অসহায়, নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত পরিবার ও শিশুদের জন্য আপনার বাসায় থাকা পুরনো জামা-কাপড়, শাড়ি, লুঙ্গি, থ্রি-পিস, আসবাবপত্র, ফার্নিচার, ইলেকট্রনিক্সসহ যেকোনো ব্যবহারযোগ্য জিনিস সংগ্রহ করে বিতরণ করছে কাঙ্খিত জনের কাছে ।

তাদের ফেসবুক পেজে উল্লেখ করা হয়েছে-
- ঢাকা শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে আমরা সংগ্রহ করি।
- ঢাকার বাইরে থেকেও কুরিয়ারে পাঠাতে যোগাযোগ করতে পারেন।
- দিতে চাইলে ইনবক্স করুন।
আপনি ইনবক্সে তথ্য দিলে বা আগ্রহ প্রকাশ করলে আপনার বাসা থেকে টীম গিয়ে সংগ্রহ করে তা প্রয়োজনীয় মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করবে।
এভাবেই বাস্তবায়িত হচ্ছে 10 Takay khushi" বা খুশির বাজার। আপনার ঘরে পড়ে থাকা একটি অপ্রয়োজনীয় জিনিস—হয়তো কারও জীবনে হয়ে উঠবে প্রয়োজন, আনন্দ কিংবা একটি ছোট্ট স্বপ্নপূরণ।

আপনার বাসায় পরে থাকা ব্যবহৃত ও অব্যবহৃত জামাকাপড় হয়তো আপনার আর প্রয়োজন নেই। কিন্তু সেই পোশাকই কারও জীবনে হয়ে উঠতে পারে প্রয়োজনের সময়ে পাওয়া একটি মূল্যবান উপহার- সেই কাজটি দায়িত্ব নিয়ে করছে "10 Takay khushi" বা খুশির বাজার।
আপনার বাসায় থাকা এমন যেকোনো ব্যবহৃত বা অব্যবহৃত কিন্তু ব্যবহারযোগ্য জিনিস আমাদের দিতে পারেন—
- পোশাক
- জুতা
- ব্যাগ
- বই ও শিক্ষা উপকরণ
- খেলনা
- আসবাবপত্র
- ব্যবহারযোগ্য ইলেকট্রনিক্স
এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী।
তাদের পেজে বলা হয়েছে, আপনাদের ভালোবাসা ও সহযোগিতায় আমরা সংগ্রহ করি বাসায় পরে থাকা এসব পোশাক। এরপর সেগুলো যত্নসহকারে বাছাই করে পৌঁছে দিই অসহায়, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের হাতে—যাদের প্রয়োজন আছে, কিন্তু অনেক সময় তা প্রকাশ করার সুযোগ নেই।
আমরা হয়তো প্রতিটি মুহূর্ত আপনাদের সামনে তুলে ধরতে পারি না। কারণ অনেক মানুষই নিজের প্রয়োজন বা প্রাপ্তির বিষয়টি প্রকাশ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। তবে একটি বিষয় নিশ্চিত—আপনাদের দেওয়া প্রতিটি পোশাক আমাদের কাছে একটি আমানত, আর আমরা সেই আমানত যত্নসহকারে সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করি।
তাই আপনার ঘরে পরে থাকা ভালো অবস্থার ব্যবহৃত বা অব্যবহৃত জামাকাপড় ফেলে না দিয়ে আমাদের কাছে পৌঁছে দিন। আমরা পৌঁছে দিব সঠিক মানুষের কাছে।
আপনার কাছে যা অতিরিক্ত,
কারও কাছে তা হতে পারে প্রয়োজনের পোশাক।
ইনবক্সে মেসেজ করুন।
আমরা আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করে সামগ্রী সংগ্রহের ব্যবস্থা করব।

প্রতিদিন আমাদের খুশি বাজারে শত শত মানুষ প্রয়োজনীয় পোশাকের আশায় আসেন। কিন্তু পর্যাপ্ত জামাকাপড় না থাকায় অনেক মানুষকেই খালি হাতে ফিরে যেতে হয়।
আপনার বাসায় থাকা ব্যবহার্য বা অব্যবহৃত জামাকাপড়, যা আপনার আর প্রয়োজন নেই, সেগুলো আমাদের দিতে পারেন। আমরা আপনার বাসা থেকেই সংগ্রহ করে যত্নসহকারে বাছাই ও সংরক্ষণ করি এবং খুশি বাজারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় মানুষের কাছে পৌঁছে দিই।

খুশির বাজারের কার্যক্রম চলমান
আমাদের কার্যক্রম নিয়মিতভাবেই চলমান রয়েছে। হয়তো সব সময় আপনাদের কাছে ছবি বা ভিডিওর মাধ্যমে প্রতিটি কার্যক্রম তুলে ধরতে পারি না। কারণ আমাদের অনেক মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ আছেন, যারা নিজেদের প্রয়োজনের কথা প্রকাশ করতে কিংবা ক্যামেরার সামনে আসতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না।
তবে একটি বিষয় নিশ্চিত—আপনাদের দেওয়া প্রতিটি আমানত আমরা যথাযথভাবে প্রয়োজনীয় মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করি। যার যে জিনিস প্রয়োজন, তাকে সেই জিনিসটিই দেওয়ার চেষ্টা করি।
আপনাদের সহযোগিতায় আমরা এসব সামগ্রী সংগ্রহ করে সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।
আপনার অপ্রয়োজনীয় জিনিস, অন্য কারও প্রয়োজন।
চলুন, ভাগ করে নিই—খুশি ছড়িয়ে দিই।
https://www.facebook.com/10takaykhushi/

"একজন শিক্ষার্থী!একটি টেবিল!অসংখ্য স্মৃতি!" শিক্ষার্থীদের জন্য পড়ার টেবিল একটি আবেগজড়ানো এবং স্মৃতিময় ঠিকানা।
একজন শিক্ষার্থী! তার একটি পড়ার টেবিল থাকবে না, তা কিভাবে হয়? জ্বি সত্যি বলছি! এমন অসংখ্য প্রতিভাবান শিক্ষার্থী রয়েছে যাদের পড়ার টেবিলটুকুও নেই। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের হাতে কিছুদিন পূর্বে যে টেবিলটি এসেছিল তা পৌঁছে দিয়েছি একজন প্রতিভাবান শিক্ষার্থীর হাতে।
আপনিও পারেন আপনার বাসায় ব্যবহার হচ্ছে না এমন যে কোন কিছু দিয়ে অন্যের প্রয়োজন মেটাতে। যোগাযোগ: ইনবক্স/০১৭০৮০৫১৫৭৭
পোশাক দিতে চাইলে আমাদের ইনবক্স করুন।
আমরা আপনার বাসা থেকেই সরাসরি সংগ্রহ করে নেব।
খুশির বাজার — মানুষের পাশে, মানুষের জন্য।