ঢাকা,  বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ স্বাস্থ্যকথা ]

ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধের মহৌষধ!

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:০০, ২০ অক্টোবর ২০১৯
ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধের মহৌষধ!
ফাইল ছবি

ফুসফুস আমাদের দেহে যেকোনো রোগ সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করতে লড়াই করে। কিন্তু অনেকেই ফুসফুসের ব্যাপারে খুব একটা সচেতন না। তবে এর প্রতি নজর তখনই দেয়া হয় যখন এটি আক্রান্ত হয়ে পড়ে।

বাইরের বাতাস আমাদের ফুসফুসের ভালো থাকা বা খারাপ থাকার পেছনে প্রধান ভুমিকা পালন করে। তবে ফুসফুসের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক উপাদান হলো টার এবং নিকোটিন। ধূমপান বা অন্যদের ধূমপানের ফলে বাতাসে ছড়িয়ে পড়া টার আর নিকোটিন ফুসফুসের ক্ষতির কারণ।  

এসব উপাদান ফুসফুসে জমা হয়ে বিষক্রিয়া করে ফুসফুসকে ধ্বংস করতে থাকে। নিকোটিন দেহে প্রবেশ করা মাত্রই রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং রক্তের শিরা-উপশিরাগুলোকে সংকুচিত করতে থাকে।  

Advertisement

টার ফুসফুসের বায়ুথলিগুলোতে জমা হয়ে সেগুলোর বাতাস বিশুদ্ধকরনের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করে। ফুসফুসের এসব বিষাক্ত উপাদানকে পরিষ্কার করতে প্রাচীন একটি কার্যকর প্রাকৃতিক মহৌষধি আছে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সেই মহৌষধি তৈরি ও ব্যবহার পদ্ধতি-

মহৌষধিটির উপাদান
১ লিটার পানি, ৪০০ গ্রাম পেঁয়াজ বাটা, ২ চামচ আদা বাটা, ২ চামচ হলুদ গুঁড়া, ৪০০ গ্রাম মধু।  

বানানোর পদ্ধতি
পানির সঙ্গে বাটা পেঁয়াজ টুকু মিশিয়ে হালকা আগুনে সেদ্ধ করুন। এর সঙ্গে দুই চামচ আদা বাটা ও হলুদ গুড়া মেশান। ১০ মিনিট ধরে সেদ্ধ করার পর তাতে মধুটুকু মিশিয়ে দিন। এরপর ভালোভাবে নেড়ে নেড়ে মেশান। মিশ্রণটি আরো ভারী করতে চাইলে আরো বেশি সময় ধরে আগুনে সেদ্ধ করুন। এই মিশ্রণটি থেকে প্রতিদিন সকালে দুই চামচ আর রাতে ঘুমানোর আগে দুই চামচ করে খান।

এই মিশ্রণটি আপনার ফুসফুস থেকে সবধরনের বিষাক্ত উপাদান পরিষ্কার করতে সক্ষম। প্রাচীন কাল থেকেই ভারত উপমহাদেশিয় চিকিৎসা ব্যবস্থায় এই মহৌষধিটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধে।  

এই মিশ্রণটি সেবন শুরু করার পর প্রথমদিকে হালকা কফ দেখা দিতে পারে। যা খুবই স্বাভাবিক। ওই কফের সঙ্গে ফুসফুসে জমে থাকা বিষাক্ত উপাদানগুলো বের হয়ে আসতে শুরু করবে।  

আপনি যতদিন ইচ্ছা এই ওষুধটি সেবন করতে পারেন। তবে মনে রাখবেন, আদা রক্তকে পাতলা করে। ফলে আপনার যদি এই সংক্রান্ত কোনো সমস্যা থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের সঙ্গে আগে পরামর্শ করে নিবেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!