আইআরজিসির ২য় ন্যাভাল জোনের গণযোগাযোগ বিভাগের প্রধান কর্নেল গোলাম হোসেইন হোসেইনি বলেছেন, চোরাচালানকারী জাহাজটিকে এটির আট ক্রু’সহ আটক করে ইরানের দক্ষিণঞ্চলীয় বন্দরনগরী বুশেহরে নিয়ে আসা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য তাদেরকে ইরানের বিচার বিভাগের কাছ হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরো পড়ুন: মালি ও বুরকিনা ফাসোতে হামলা, ১১ সেনা নিহত
.png)
কর্নের হোসেইনি জানান, বিদেশি পতাকাবাহী জাহাজটিকে জ্বালানী সরবরাহ করার চেষ্টা করার সময় পারস্য উপসাগর থেকে আরো পাঁচটি নৌকাও আটক করা হয়েছে। তবে আটক তেল ট্যাংকার বা অন্য পাঁচ নৌকা কোন দেশের সে তথ্য তদন্তের স্বার্থে প্রকাশ করেননি।
আইআরজিসির এই কর্মকর্তা বলেন, ইরানের জাতীয় উৎপাদন ও অর্থনীতি রক্ষা করার স্বার্থে সাগরে জ্বালানি স্মাগলিং বন্ধ করা তার বাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তিনি আরো বলেন, পারস্য উপসাগর ও এর আশপাশের পানিসীমা আর কখনও স্মাগলার ও মুনাফাখোরদের জন্য নিরাপদ স্থান থাকবে না।