জানা গেছে, বড়দিনে যিশু খ্রিষ্টের জন্মস্থান ফিলিস্তিনের বেথেলহেমে যখন শোকে নিস্তব্ধ তখন অপর প্রান্ত গাজায় হত্যার তাণ্ডব থামায়নি ইসরায়েল। নৃশংস হামলায় সোমবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় শতাধিক ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়।
আল-মাঘাজি শরণার্থী শিবির লক্ষ্য করে হামলাতেই নিহত হয় নারী-শিশুসহ অন্তত ৭০ জন। অনবরত হামলা চালিয়ে বাধা দেয়া হয় আহতদের হাসপাতালে নেয়ার প্রক্রিয়ায়। পশ্চিম তীরে জেনিন, রামাল্লা, নাবলুস ও তুলকারেমেও ঘরে ঘরে তল্লাশি, গ্রেফতার ও হত্যাকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলি সেনারা। হামাসের সামরিক শাখা কাসাম ব্রিগেডের শীর্ষ নেতা আবু ওবেইদার দাবি, পাল্টা প্রতিরোধে চারদিনে নিহত হয়েছে ইসরায়েলের অন্তত ৪৮ সেনা।
.png)
উত্তর গাজায় হামাসের সুড়ঙ্গে অন্তত পাঁচজন জিম্মির লাশ পাওয়ার দাবি করেছে ইসরায়েলের সেনা সদর। এরমধ্যে তিনজন সেনা ও দুইজন বেসামরিক মানুষ।
এদিকে, বড়দিন উপলক্ষে ভ্যাটিকান সিটিতে প্রার্থনা সভায় দেয়া বক্তব্যে ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস গাজায় চলমান নৃশংসতায় আক্ষেপ জানিয়েছেন। বেথলেহেমের জন্য দু:খ প্রকাশ করে বলেন, অনর্থক যুদ্ধ ও সহিংসতায় শান্তি উপেক্ষিত হচ্ছে।