ঢাকা,  সোমবার   ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

[ আন্তর্জাতিক ]
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচন

অভিবাসী-সমস্যা নিয়ে কী ভাবছেন কমলা-ট্রাম্প

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪:২৩, ২ নভেম্বর ২০২৪
অভিবাসী-সমস্যা নিয়ে কী ভাবছেন কমলা-ট্রাম্প
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অর্থনৈতিক মন্দা, মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে আরো একটি বিষয় যা ভোটারদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো অভিবাসী সমস্যা। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ৪ কোটি ৭৮ লাখ অভিবাসী বসবাস করেন যা মূল জনসংখ্যার প্রায় ১৫ শতাংশ। সাম্প্রতিক একটি নির্বাচনী জনমত সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে অভিবাসনের বিষয়টিকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সব থেকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া ভোটারদের সংখ্যা ৪.৮ শতাংশ থেকে ১৪.৬ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। ১৫ বছরে এই সংখ্যা সব থেকে বেশি বেড়েছে ২১ থেকে ২৪-এর মধ্যে— প্রায় ৫.৪ শতাংশ।

ভোটারেরা অভিবাসনের বিষয়টিকে কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছেন? এর উত্তরটা দাঁড়িয়ে রয়েছে ২০১৬ এবং ২০২০ সালে নির্বাচিত হওয়া দুই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং জো বাইডেনের আমলের অভিবাসন বিষয়ক বিভিন্ন নীতির উপরে।

২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরে মেক্সিকো-আমেরিকা সীমান্তে প্রাচীর তোলা, বহু অনুপ্রবেশকারীকে ফেরত পাঠানো, সীমান্তে পরিবারদের বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া, বাচ্চাদের পরিবারের থেকে আলাদা করা— এমন বহু মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে গিয়েছে। এর পরে যখন বাইডেন প্রেসিডেন্ট হয়ে আসেন, তার নীতি হয় সীমান্তে আসা শরণার্থীদের সঙ্গে মানবিকতা বজায় রেখে নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার ব্যবস্থা করা। ২০২০  এর ডিসেম্বরে যেখানে মেক্সিকো সীমান্তে শরণার্থীর সংখ্যা ছিল ৭৪ হাজার, তা ২০২৩-এর ডিসেম্বরে রেকর্ড ৩ লাখে পৌঁছয়েছে। সীমান্ত শহরগুলোতে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। টেক্সাস, ফ্লরিডা এই প্রদেশগুলোর গভর্নরেরা বাস ভর্তি করে অসংখ্য শরণার্থীকে নিউ ইয়র্ক, শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলসের মতো ‘ডেমোক্র্যাটিক’ শহরগুলোতে পাঠানো শুরু করে দেন। তাদের মতে, সেখানকার ‘উদারপন্থী’ প্রশাসন যাতে সীমান্তের বিশৃঙ্খলা বুঝতে পারে, তাই এই পদক্ষেপ।

একটি জনমত সমীক্ষা অনুযায়ী, ৩৫ শতাংশ ভোটার জোরালো ভাবে মনে করেন যে, কোনো পরিচয়পত্রবিহীন শরণার্থীদের সংখ্যা কঠোর হাতে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অধিকাংশ ভোটারই চান শরণার্থী অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হোক। যার ফলে লাভবান হবেন ট্রাম্পই।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!