বৈঠকে ঢাকার পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। অন্যদিকে ব্রাসিলিয়ার পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্র সচিবের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে।
ঢাকার এক কূটনীতিক জানান, ব্রাজিলের সঙ্গে দ্বিতীয় এফওসি হবে এটা। এফওসিতে সাধারণত দুই দেশের সম্পর্কের সামগ্রিক ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। নতুন করে কোনো ক্ষেত্রে সহযোগিতা করার মতো বিষয় থাকলে যার যার স্বার্থ বিবেচনায় সেগুলো সামনে আনার চেষ্টা করে। আর পুরোনো বিষয়গুলো নিয়ে পর্যালোচনা করার সুযোগও থাকে।
.png)
আলোচনায় কোন বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দিতে চায় বাংলাদেশ? এমন প্রশ্নের জবাবে এ কূটনীতিক বলেন, আমরা ব্রাজিলের সঙ্গে ফুটবলে সহযোগিতার বিষয়ে একটা চুক্তি করার চেষ্টা করছি। ফুটবল সংক্রান্ত আলোচনা থাকবে। এছাড়া আমরা বাণিজ্যে ডাইভারসিফিকেশন আনতে চাই। বাণিজ্য ব্যবধান কমাতে চাই। ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের মতো বিষয়গুলো ফোকাসে থাকবে। আরএমজিতে অনেক ট্যারিফ দিতে হয়, ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ। এগুলো কমিয়ে আনার চেষ্টা করব। পিটিএ বা এফটিএ করতে চাই।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ব্রাজিলে প্রধানত ফার্মাসিউটিক্যালস আইটেম ও আরএমজি (তৈরি পোশাক) পণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ। আর দেশটি থেকে সয়াবিন, অপরিশোধিত চিনি ও গম আমদানি করে। পিটিএ বা এফটিএ করার বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহ থাকলেও ব্রাজিল থেকে এখনো কোনো সবুজ সংকেত পাওয়া যায়নি। তবে বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়াতে পিটিএ বা এফটিএ করার বিষয়ে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে ঢাকা। সেজন্য এবারের এফওসি বৈঠকেও বেশ গুরুত্ব সহকারে বিষয়গুলো তুলবে ঢাকা। পাশাপাশি মার্কোসুরভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে পিটিএ চুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উদ্যোগে সহযোগিতা করার জন্য ব্রাজিলের সহযোগিতা চাওয়া হবে।