এদিকে রেডিও-ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (আরএফআইডি) পদ্ধতিতে চলন্ত যান থেকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল বুথ চালু থাকলেও ভিড় নেই। কারণ মাওয়া প্রান্তের পদ্মাসেতু উত্তর থানার পূর্বপাশে ইটিসিএস রেজিস্ট্রেশন বুথ বন্ধ। এখনো সাধারণের গাড়ির জন্য রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ নেই। এ পদ্ধতির জন্য রেজিস্ট্রেশন করা গাড়ি টোল প্লাজার সামনে আসতেই বুথ থেকে স্ক্যানারে গাড়ি শনাক্ত করা মাত্রই নির্ধারিত টোল অটো আদায় হয়ে ব্যারিয়ার ওঠে এবং স্ক্রিনে ব্যালেন্স দেখা যায়।
উভয় প্রান্তের সেতুর প্রবেশ পথের ১৫ বুথের চারটিতে এ সুবিধা এখন এক্টিভ। কিন্তু পদ্ধতিটি ব্যবহারের গাড়ির অভাব। গত ৯ এপ্রিল পদ্মাসেতুতে রেকর্ড পরিমাণ প্রায় ৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা টোল আদায়ের দিনেও ইটিসিএসে আদায় হয় মাত্র ১৫০০ টাকা। ইটিসিএস চালু না হওয়ায় যানবাহনের চাপ বাড়লেই দেখা দেয় জটলা।
.png)
মোটরসাইকেল চালক আশিকুর রহমান বলেন, পদ্মাসেতু দিয়ে আমাদের যাতায়াত বাড়ছে। বৃদ্ধি পাচ্ছে টোলের টাকা। যোগ হচ্ছে রাজস্ব। তাই দ্রুতগতিতে টোল আদায় চালু এখন সময়ের দাবি।

পদ্মাসেতু ব্যবহারকারী চাকরিজীবী তাহসান মিয়া বলেন, এখন আমাদের লাইনে থেকে টোল দিতে হচ্ছে। ইটিএস পদ্ধতিতে টোল আদায় শুরু হলে সেই ভোগান্তি আর থাকবে না। অতি সহজেই টোল পরিশোধ করা যাবে।
পাইলটিংয়ের ৩ মাসের মধ্যেই সিস্টেমটি চালুর ঘোষণা ছিল। কর্তৃপক্ষ বলছে, ইটিসিএস স্বয়ংক্রিয় টোল আদায়ের সবকিছু প্রস্তুত থাকলেও টাকা জমার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘একপের’ সঙ্গে যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াগত কাজটি চূড়ান্ত না হওয়ায় অপারেশনে যেতে বিলম্ব হচ্ছে।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত পরিচালক আমিরুল হায়দার চৌধুরী বলেন, কিছু সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। ইলেকট্রনিক মানি ট্রানজিশনের বিষয় আছে। সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন হয়ে গেলে খুব শিগগিরই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে টোল আদায় শুরু হবে।