এই হারের ফলে চলতি বছরের আইপিএল থেকে বিদায় নিয়েছে দিল্লি। এতে পয়েন্ট তালিকার পাঁচে থেকে আসর শেষ করলো দলটি। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ৭ উইকেটে ১৫৯ রান করে দিল্লি। জবাবে খেলতে নেমে ১৯ ওভার ১ বলে ৫ উইকেটের জয় পেয়েছে মুম্বাই।
১৬০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে পাওয়ার প্লে-তে মাত্র ৩৩ রান তুলতে পারে দলটি। এর মধ্যে রোহিত ১৩ বলে মাত্র ২ রান করে আউট হয়ে ফিরে যান। এরপর ইশান কিষাণ ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিস দ্বিতীয় উইকেটে ৫১ রানের জুটি গড়ে মুম্বাইকে ম্যাচে ফেরান। ইশান ৪৮ রান করে আউট হয়ে ফিরলে ভাঙে জুটিটি।
.png)
এরপর দিল্লি অধিনায়ক রিশাভ ব্রেভিসের সহজ ক্যাচ মিস করে ম্যাচে প্রথম ভুল করেন। ৯৫ রান করে ব্যক্তিগত ৩৭ রানে ফেরা ব্রেভিস ফেরার পর ম্যাচের সবচেয়ে বড় ভুল করে বসেন রিশাভ। সেই মুহূর্তে মাঠে নামা টিম ডেভিডের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে ক্যাচ ধরলেও আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। সেই মুহূর্তে দুটি রিভিউ থাকলেও রিভিউ নেননি রিশাভ।
পরবর্তীতে ডেভিড মাত্র ১১ বলে ৪ ছয় ও ২ চারে ৩৪ রান করে ম্যাচ নিজেদের হাতে নিয়ে নেন। শেষদিকে রামানদিপ ১৩ ও তিলক ভার্মা ২১ রান করে মুম্বাইয়ের ৫ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেন। এই জয়ে এবারের আইপিএলে ৪ জয়ে ৮ পয়েন্ট পেলেও তালিকার শেষেই রয়েছে দলটি।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নামে দিল্লি। এই ম্যাচেও দিল্লি একাদশে জায়গা হয়নি মুস্তাফিজের। এদিন ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি দিল্লির। ৫০ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে বসে দলটি। ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ৫ রানে ও ইনফর্ম ব্যাটসম্যান মিচেল মার্শ প্রথম বলে শূন্য রানে ফেরেন।
দিল্লির আরেক ওপেনার ২৪ রান করলেও বল খেলেন ২৩টি। ৪ উইকেট হারিয়ে রোভম্যান পাওয়েলকে নিয়ে দলকে ম্যাচে ফেরান অধিনায়ক রিশাভ। এই দুই ব্যাটসম্যান পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৭৫ রান যোগ করেন। ৩৯ রান করে রিশাভ ফিরলে ভাঙে জুটিটি। রোভম্যানও অবশ্য আর বেশি এগোতে পারেননি।
৪ ছক্কায় ৪৩ রান করে বুমরাহর ডেডলি ইয়র্কারে ফেরেন এই ক্যারিবিয়ান। শেষদিকে আক্সার প্যাটেল ১০ বলে করেন ১৯ রান। মুম্বাইয়ের পক্ষে বুমরাহ মাত্র ২৫ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন।