এবারের ফাইনালকে বলা হচ্ছে লিভারপুলের প্রতিশোধের ফাইনাল। ২০১৮-র চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হেরেছিল অল রেডসরা। শনিবার একই প্রতিযোগিতার ফাইনালে সামনে সেই রিয়াল মাদ্রিদ।
তবে মাঠে নামার আগেই অন্য একটি লড়াইয়ে হেরে বসে আছে লিভারপুল। তা হল, প্রতিযোগিতার পুরস্কার বাবদ প্রাপ্ত অর্থ। শনিবার যদি লিভারপুল জেতে, তা হলে তারা যে অর্থ পাবে, তা রানার্স আপ রিয়ালের থেকেও কম। রিয়াল চ্যাম্পিয়ন হলে এমনিই বেশি অর্থ পাবে তারা।
.png)
জানা গেছে, প্রতিযোগিতায় জিতলে ১০২ মিলিয়ন পাউন্ড বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১১০০ কোটি টাকা পাবে রিয়াল। লিভারপুল জিতলে পাবে ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড বা ১০৩০ কোটি টাকা। রিয়াল যদি হেরেও যায়, তা হলেও তারা প্রায় ১০৮৫ কোটি টাকা পাবে, যা লিভারপুলের থেকে প্রায় ৫৫ কোটি বেশি।
কিন্তু এই বৈষম্য কেন?
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে যে দল যতদূর এগোয়, তারা তত বেশি অর্থ পায়। পাশাপাশি, অতীতের পারফরম্যান্সও নির্ভর করে অর্থ পাওয়ার ক্ষেত্রে। লিভারপুল গত চার বছরে তিন বার ফাইনালে উঠেছে। জিতেছে মাত্র একটি। রিয়াল সেখানে গত ১০ বছরে চারটি খেতাব জিতেছে। ফলে তাদের প্রাপ্ত অর্থের পরিমাণও বেশি হচ্ছে।
যে ৩২টি দল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলে, তারা প্রত্যেকেই শুরুতে প্রায় ১৪৫ কোটি টাকা করে পায়। গ্রুপ পর্বে প্রতিটি ম্যাচ জয় পিছু ২৬ কোটি টাকা যোগ হয়।
নকআউটে যে দলগুলি ওঠে, প্রত্যেকে ৮৯ কোটি টাকা পায়। আরও প্রায় ১০০ কোটি পায় কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলে। সেমিফাইনালে উঠলে পায় ১১৫ কোটি টাকা। দুই ফাইনালিস্টের প্রত্যেকে পায় ১৪৫ কোটি টাকা করে।
ফলে ফাইনালে উঠলে লিভারপুল যেখানে ১০০ মিলিয়ন পাউন্ডের কম পাবে, সেখানে রিয়ালের আয় ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড ছাড়িয়ে যাবে। তবে ম্যাচের দিন থেকে এবং সম্প্রচার থেকে প্রাপ্ত অর্থ এর মধ্যে ধরা হয় না। সেটি আলাদা।