বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে শুরু হওয়া ম্যাচটি টি-স্পোর্টস চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
বাংলাদেশের জন্য টি-২০ ফেভারিট ফরম্যাট নয়। তারপরও আশা করা হয়েছিলো টি-২০ সিরিজে জিতবে টাইগাররা। কিন্তু বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-২০তে ২-১ ব্যবধানে প্রথম সিরিজ জয়ের স্বাদ নেয় জিম্বাবুয়ে। সেই সঙ্গে এই ফরম্যাটে কোন টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে প্রথম সিরিজ জয়ের স্বাদ পায় স্বাগতিকরা।
.png)
এই মুহূর্তে ওয়ানডেতে বিশ্বের সেরা দল বাংলাদেশ। ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর নয়টি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেছে টাইগাররা। এর মধ্যে সাতটিতেই জিতেছে তারা। ২০১৯ সালে শ্রীলংকা ও ২০২১ সালে নিউজিল্যান্ডের কাছে দু’টি সিরিজ হারে লাল সবুজের দল।
নিউজিল্যান্ডের কাছে হারের পর টানা পাঁচটি সিরিজ জিতে বাংলাদেশ। শ্রীলংকা-জিম্বাবুয়ে-আফগানিস্তান-দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জিতে টাইগাররা।
তাই ওয়ানডেতে বাংলাদেশের শক্তি স্পষ্ট। জিম্বাবুয়ের কাছে বাংলাদেশ সিরিজ হারলে সেটি হবে বড় ধরনের অঘটন। ২০১৩ সালের পর থেকে জিম্বাবুয়ের কাছে কোন সিরিজ হারেনি টাইগাররা। ঐ বছর ঘরের মাঠে বাংলাদেশকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছিলো জিম্বাবুয়ে।
সে সময় থেকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচটি সিরিজ ও ত্রিদেশীয় সিরিজে দুটি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। সব ম্যাচ জিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টানা ১৯ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়েছে টাইগাররা।
আগামীকাল বাংলাদেশ যখন তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটি খেলতে নামবে তখন তাদের নজর থাকবে জয়ের সংখ্যাটা ২০’এ নেয়া। সব মিলিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৭৮টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ৫০টিতে জিতেছে টাইগাররা। হেরেছে ২৮টিতে।
কিন্তু বাংলাদেশের জয়ের ধারাকে কি আটকাতে পারবে টি-২০ সিরিজ জয় করা জিম্বাবুয়ে? প্রশ্নটি অবশ্যই তাড়া করবে বাংলাদেশি ভক্তদের। অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন বেশি সংঘবদ্ধ এবং দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এক দল জিম্বাবুয়ে।
জিম্বাবুয়ের কাছে টি-২০ সিরিজ হারকে অসম্মানজনক বলে অভিহিত করে খেলোয়াড়দের দিকে আঙ্গুল তুলেছেন দলের পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি জানান, দলের জয়ের জন্য ঝুঁকি নিয়ে না খেলে নিজের জায়গা ধরে রাখার জন্য খেলেছেন তারা।
মাহমুদ বলেন, জিম্বাবুয়ে কাছে হারবো আমি আশা করিনি। আমরা তাদের চেয়ে ভালো দল। আমি এটাকে অপমানজনক বলবো।
মাহমুদ আরো বলেন, যখন আমাদের প্রতি ওভারে ১০ বা ১২ রানের প্রয়োজন ছিল ঐ সময় প্রতি ওভারে ছয় বা সাত করে রান নিয়েছি। কেউ ছক্কা মারার চেষ্টাও করেনি। সকলেই এক-দুই রানের জন্য খেলেছিলো। নিজেদের জায়গা রক্ষা করার মতো ব্যাটিং করেছিলো তারা।
বাংলাদেশ: তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), লিটন দাস, এনামুল হক বিজয়, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও তাইজুল ইসলাম।
জিম্বাবুয়ে: ক্রেইগ আরভিন (অধিনায়ক), রেগিস চাকাভা (উইকেটরক্ষক), তানাকা চিভাঙ্গা, লুক জংওয়ে, ইনোসেন্ট কাইয়া, ওয়েসলে মাধেভেরে, তাদিওয়ানশে মারুমানি, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, টনি মুনিয়োঙ্গা, রিচার্ড এনগারাভা, ভিক্টর নিয়ুচি, সিকান্দার রাজা, মিল্টন শুম্বা ও শন উইলিয়ামস।