ইদলিবের মিউনিসিপ্যাল স্টেডিয়ামে হওয়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিশুরা ছিলো দারুন উচ্ছ্বসিত। অনেকেই এ বছরের বিশ্বকাপ দলের জার্সিও পরেছিল। এএফপির একজন ফটোগ্রাফার এমনই জানিয়েছেন।
বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন করা ৩২টি দলের ফ্লেভারের মতই অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ টুর্নামেন্ট। ইয়েডরের বিপক্ষে কাতারের ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে এবারের বিশ্বকাপ।
.png)
একটি গাড়ির গ্যারেজে কাজ করা ১২ বছর বয়সী বাসেল শিখো বলেন, আমি স্পেনের প্রতিনিধিত্ব করছি এবং আমি আশা করি আমরা কাপ জিতবো।
ইদলিব এবং আশেপাশের এলাকার বাস্তুচ্যুত ক্যাম্পের শিশুদের নিয়ে ২৫টি দল গঠন করা হয়। এই অঞ্চলের শিল্প অঞ্চলে কাজ করা শিশুদের নিয়ে বাকি সাতটি দল তৈরি করা হয়।
২০১১ সালে সরকার বিরোধী বিক্ষোভের নির্মম দমন-নীরিপনের মাধ্যমে সিরিয়ার যুদ্ধে প্রায় অর্ধ মিলিয়ন মানুষ নিহত হয় এবং লাখ-লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়।
ইদলিব অঞ্চলে প্রায় ত্রিশ লাখ মানুষ বসবাস করে। তাদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই বাস্তুচ্যুত।
‘ক্যাম্প বিশ্বকাপে’ অংশ নিতে কয়েক মাস ধরে ১০ থেকে ১৪ বছর বযসী শিশুরা প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। টুর্নামেন্টের আয়োজনকারী এনজিও ভায়োলেট থেকে এমন তথ্য দিয়েছেন ইব্রাহিম সারমিনি।
তিনি জানান, শিশুদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করতে উৎসাহিত করাই ইভেন্টের লক্ষ্য। এছাড়া বাস্তুচ্যুত যুবক এবং যারা কাজ করেন তাদেরকে আন্তর্জাতিক নজরে আনা।
কাতার টুর্নামেন্ট চলাকালীন পুরো সময় জুড়ে চলবে ‘ক্যাম্প বিশ্বকাপ’-এর ম্যাচগুলি। ইদলিবের একটি ক্যাম্পে ফাইনালটি অনুষ্ঠিত হবে।
সারমিনি আরও জানান, পুরোদমে শুরু হচ্ছে শীত। বৃষ্টির কারণে আবারও দরিদ্র শিবিরগুলো দুর্দশায় পড়বে। তিনি বলেন, ‘আমি আশা করছি, সারা বিশ্ব বাস্তচ্যুতদের দিকে মনোযোগ দিবে এবং তাদের সমর্থন করবে। যাতে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে যেতে পারে তারা।’