দুই দলই প্রথম ম্যাচে জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে। স্টেডিয়াম ৯৭৪-এ আজকের ম্যাচে যারা জিতবে তারা এক ম্যাচ হাতে রেখেই নক আউট পর্ব নিশ্চিত করবে। এমন সমীকরণ সামনে রেখে শুরু থেকে সাবধানে খেলতে থাকে ব্রাজিল ও সুইজারল্যান্ড।
বারবার আক্রমণে উঠলেও দুই দলই প্রতিপক্ষের রক্ষণে গিয়ে বল হারিয়েছে। প্রথমার্ধে ৪৮ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে চারটি শট নেয় ব্রাজিল। যার মাঝে দুটি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে ৪১ শতাংশ সময় বল দখলে রাখা সুইসরা সেলেসাওদের গোলমুখে কোনো শটই নিতে পারেনি।
.png)
ম্যাচের ২৬ মিনিটে প্রথমার্ধের সবচেয়ে সহজ সুযোগ পেলেও সেটি কাজে লাগাতে পারেননি ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। অনেকটা ফাঁকায় বল পেলেও ঠিকঠাক শত নিতে পারেননি তিনি। দুর্বল শত সহজেই আটকে দেন ইয়ান সমার।
পাঁচ মিনিট পর আরেকটি দারুণ সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। এবার রাফিনহার বুলেত গতির শট সোজা ধরে নেন সমার। এর আগে রিচার্লিসন বলে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হলে আরেকটি সুযোগ হারায় সেলেসাওরা।
এ অবস্থায় প্রথমার্ধে ব্রাজিলের আক্রমণ সামলাতেই ব্যস্ত থেকেছে সুইজারল্যান্ড। বারবার আক্রমণে গেলেও ঠিকঠাক সেটির পূর্ণতা দিতে পারেনি তারা। যার ফলে গোলশূন্য ড্র নিয়ে বিরতিতে যায় দুই দল।
বিরতির পর যথারীতি আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে ব্রাজিল। সেই ধারায় ম্যাচের ৬৩ মিনিটে দারুণ দক্ষতায় বল সুইজারল্যান্ডের জালে জড়ান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এরপর যথারীতি নাচতে থাকে তারা।
তবে ব্রাজিলিয়ানরা নাচ শেষে পিচে ফিরতেই জানতে পারে, সেটি অফসাইড ছিল। যার ফলে গোলটি বাতিল হয়। ব্রাজিলিয়ানদের নাচটা বৃথা গেলেও সুইজারল্যান্ড যেন এর মাধ্যমে আরেকটি লাইফলাইন পেয়েছে। যার মাধ্যমে জমে উঠেছে দুই দলের লড়াই।