এমন এক ম্যাচ জয়ের পর মিরাজ জানালেন, সে কথা। ম্যাচ সেরার পুরস্কার হাতে নিয়ে সে কথাই জানালেন মিরাজ, 'আল্লাহকে ধন্যবাদ। আমি খুবই উত্তেজিত। মোস্তাফিজুর এবং আমি শুধু এটাই ভেবেছি যে আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে। আমি তাকে বলেছি শান্ত থাকতে এবং ২০টা বল খেলতে। '
এভাবেও তাহলে ফিরে আসা যায়! এটাকে কি দেশের ইতিহাসের সেরা কামব্যাক বলা যায়? বাংলাদেশের সমর্থকরা অবশ্যই একমত হবেন! যদিও এর আগেও অবিশ্বাস্য জয়ের কিছু ঘটনা ছিল বটে, তবে সবকিছুকে যেন ছাপিয়ে গেছে আজকের জয়। খাদের কিনারায় পৌঁছে গিয়েছিল দল। ১৮৭ রানের লক্ষ্যে ভারতের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ।
.png)
ম্যাচ এমন পরিস্থিতিতে ছিল যেখানে বাংলাদেশের পাড়ভক্তও সম্ভবত জয়ের আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। তবে ধ্বংসস্তুপের মাঝেই ফিনিক্স পাখির জেগে ওঠার মহাকাব্য রচনা করলেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও ফিজ।
এই জয়ে তাকে যোগ্য সঙ্গ দিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। এই দুজনের ব্যাটেই অসম্ভবকে সম্ভব করেছে টাইগাররা। পেয়েছে মাত্র ১ উইকেটের ঐতিহাসিক ও অবিস্মরণীয় এক জয়।
মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শেষ উইকেটে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জুটি ৪১ বলে ৫১ রান গড়ার কারিগর মেহেদী হাসান মিরাজ; মোস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে জিতিয়েছেন খাদের কিনারায় যাওয়া দলকে। ৪ চার ও ২ ছক্কার ইনিংসে ৩৯ বলে ৩৮ রান করেন মিরাজ। তার সঙ্গী মোস্তাফিজ ২ চারে ১১ বলে ১০ রান।
বল হাতে উইকেট না পেলেও ঐতিহাসিক এই জয়ে ব্যাট হাতে মোস্তাফিজের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তার ক্রিজে টিকে থাকা মিরাজ এবং দলের জন্য ছিল অত্যন্ত জরুরি।