সে সময় ডি মারিয়াকে শুরুর একাদশ থেকে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘টানা ১৩ বছর শুরুর একাদশে খেলা ডি মারিয়ার জন্য আমরা কী করেছি? তাকে আর রাখবেন না। মেসি চায় বলেই তাকে আবারও ডেকেছেন। সম্মানের সঙ্গে বলছি সে অসাধারণ, আমাদের চেয়ে ভালো। তবে প্লিজ শুরুর একাদশে তাকে আর চাই না।’
কোপা আমেরিকা ফাইনালে আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের মাধ্যমেই সেই কথার জবাব দিয়েছেন ডি মারিয়া। এরপর সদ্য বিশ্বকাপ ফাইনালেও তার গোল আছে। বয়স ৩৫ পেরোলেও তিনি যে বড় মঞ্চের খেলোয়াড় সেটা আবারো প্রমাণ করেছেন। তাই দেড় বছর আগের সেই মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন পাসমান।
.png)
এই সাংবাদিক বলেন, ‘দুঃখিত, আমি সন্দেহ করেছিলাম। ধৈর্যের কমতি ছিল আমার। ভেবেছিলাম দক্ষিণ আফিকা, ব্রাজিল ও রাশিয়া বিশ্বকাপের পর হিগুয়েন, মাসচেরানো, রোহো, রোমেরো ও লাভেজ্জির মতো তার সময়ও শেষ। আমি ভুল ছিলাম।’
‘মারাকানায় গত বছর ফাইনালের পরই তা বলেছিলাম আমি এবং এখন আবারও বলছি। দুটি ফাইনালে ডি মারিয়া বুঝিয়েছেন তিনি শেষ হয়ে যাননি, তিনি প্রতিশোধ নিতে চেয়েছেন, দেয়াল ভাঙতে চেয়েছেন। মারাকানা ও লুসাইল স্টেডিয়ামে ব্রাজিল ও ফ্রান্সের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি গোল করে সফল হয়েছেন।’