নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন সানরাইজার্স হায়দারাবাদের অধিনায়ক মার্করাম। ব্যাট হাতে দুরন্ত শতরান করলেন শুভমান গিল। ৫৬ বলে শতরান পূর্ণ করলেন পাঞ্জাব ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ৫৮ বলে ১০১ রানে আউট হলেন গিল। তাঁর ইনিংসে ছিল ১৩টি চার ও একটি ছক্কা। তাঁর শতরানের সৌজন্যে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৮৮ রান তুলে গুজরাট।
তৃতীয় বলে ওপেনার ঋদ্ধিমান সাহাকে হারিয়ে শুরু হয় গুজরাটের ইনিংস। এরপর অবশ্য দলকে টেনে নিয়ে যান শুভমান গিল ও সুদর্শন। দুইজনে গড়েন ৮৪ বলে ১৪৭ রানের জুটি। ভয়ঙ্কর এই জুটি ভাঙেন মার্কো ইয়ানসেন। সুদর্শন ফেরেন ৩৬ বলে ৪৭ রান করে। এরপর বাকিদের কেউই আর ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্কের ঘর।
.png)
কেবল থেকে যান শুভমান। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৫৮ বলে হাকান সেঞ্চুরি। তবে আর এক রান যোগ করতেই হারান উইকেট। তার ৫৮ বলে ১০২ রানের ইনিংসটি গড়া ছিল ১৩ চার ও এক ছক্কায়। হায়দরাবাদের পক্ষে ৪ ওভারে ৩০ রান দিয়ে ৫ উইকেট পান ভুবনেশ্বর। একটি করে উইকেট পান ইয়ানসেন, ফারুকি ও নটরঞ্জন।
রান তাড়ায় ব্যাট করতে নেমে একই দশা হয় হায়দরাবাদের। ৫৯ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেরে তারা। এরপর পাঁচে ব্যাট করতে নামা ক্লাসেনকে সঙ্গ দেন বোলিংয়ে বাজিমাত করা ভুবনেশ্বর। একপ্রান্তে লড়াই করা ক্লাসেন ফিফটির দেখা পান ৩৫ বলে। ভুবনেশ্বরের সঙ্গে গড়েন ৬৮ রানের জুটি। তবে এই জুটি বেশিক্ষণ টিকতে দেননি দারুণ বল করতে থাকা মোহাম্মদ শামি।
৪৪ বলে ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৬৪ রান করে বিদায় নেন ক্লাসেন। লড়তে থাকা ভুবনেশ্বরও থিতু হতে পারেননি বেশিক্ষণ। ২৬ বলে ২৭ রান করে তিনি বিদায় নেন। শেষদিকে মায়াঙ্ক মারকান্দে অপরাজিত থাকেন ৯ বলে ১৮ রান করে। গুজরাটের পক্ষে ৪ ওভারে ২১ রান খরচায় ৪ উইকেট নেন শামি। সমান ওভারে ২৮ রান খরচায় সমান উইকেট নেন মোহিত শর্মা।