এর আগে ২০১০ এবং সবশেষ ২০২২-এ আর্ম ব্যান্ড নিয়ে মাঠে নেমেছেন মিস্টার সেভেন্টি ফাইভ। তবে হতাশার বিষয় হলো, তার নেতৃত্বে এশিয়া কাপে কোন জয় পায়নি লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। শুধুই হেরেছে বড় ব্যবধানে।
২০১০ শ্রীলংকায় এশিয়া কাপেই কাপ্তান সাকিব অধ্যায় শুরু। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ভারতের মুখোমুখি হয়ে গুটিয়ে যায় ১৬৭ রানে। সেবার ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে জয় পায় টিম ইন্ডিয়া।
.png)
পরের দুই ম্যাচে শ্রীলংকা এবং পাকিস্তানের কাছেও হারে বাংলাদেশ। কোন জয় ছাড়াই ওয়ানডে ফরম্যাটের এশিয়া কাপ শেষ করেন সাকিব আল হাসান।
এক যুগ পর আবারও এশিয়া কাপে দলের নেতৃত্বে সাকিব। এবার বদলেছে ভেন্যু, পরিবর্তন হয়েছে ফরম্যাট। কিন্তু বদলায়নি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের অধীনে বাংলাদেশের পারফরমেন্স।
প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটের বড় হার। পরেরটায় শ্রীলংকার বিপক্ষে বড় সংগ্রহ গড়েও পরাজয়ের বৃত্তে লাল সবুজ। আরও একটা এশিয়া কাপ বাংলাদেশ শেষ করে শূন্য হাতে।
এশিয়া কাপে অধিনায়ক সাকিবের পারফরম্যান্সও হতাশার। শ্রীলংকায় ৫০ ওভারের আসরে তার ব্যাট থেকে আসে ৩ ম্যাচে মাত্র ৫২। যদিও বল হাতে পাঁচ উইকেট শিকার করেছিলেন এই অলরাউন্ডার। আরব আমিরাতেও সাকিব আল হাসান ছিলেন না প্রত্যাশিত ফর্মে। দুই ম্যাচে ১১৫ স্ট্রাইক রেটে করেছেন মোটে ৩৫। বল হাতেও ছিলেন বিবর্ণ। তার নিষ্প্রভতার মাশুল গুনে বাংলাদেশ।