ম্যাচের প্রথম গোলের দেখা মিলে ২৫ মিনিটে। কাম্পানা একক প্রচেষ্টায় বল জড়ান আটলান্টার জালে। তাতে পিছিয়ে যায় ওয়েইন রুনির শিষ্যরা।
কিন্তু ১১ মিনিট পরই দলকে সমতায় ফেরান ক্রিস্তিয়ান মুজাম্বা। ৫ মিনিট পর এগিয়ে যায় আটলান্টা। এবার অবশ্য নিজেদের জোরে নয়, কামাল মিলারের আত্মঘাতী গোলে লিড পায়। তিন মিনিট পর ব্রুকস লেননের গোলে ব্যবধান বাড়ায় তারা।
.png)
৩-২ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় মিয়ামি। বিরতির পরই ব্যবধান কমানোর সুযোগ আসে। পেনাল্টি পায় মিয়ামি। কাম্পানা সেটা থেকে গোল করলে ব্যবধান কমে।
তবে ৭৬ মিনিটে ৪-২ গোলের ব্যবধানে যায় আটলান্টা। জর্জাস গিয়াকওমেকিসের গোল আসে এবার। তবে তাতে সন্তুষ্ট হচ্ছিল না তারা। কারণ ৮৯ মিনিটে ৫ম গোল করেন টেইলর উলভ। তাতেই ৫-২ গোলের জয় নিশ্চিত করে তারা। ১১ ম্যাচ পর হারের মুখ দেখল মিয়ামি।