এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ৩৮ ওভারে দুই উইকেটে ২৭৯ রান।
ধর্মশালার হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। ইংল্যান্ডের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন জনি বেয়ারস্টো ও ডেভিড মালান।
.png)
শুরু থেকেই দেখে খেলতে থাকেন বেয়ারস্টো ও মালান। ধীরে ধীরে আক্রমণের গতি বাড়ান দুই ওপেনার। বিশেষ করে বাজে ডেলিভারিগুলোর সবই কাজে লাগান তারা। সেই ধারাবাহিকতায় ইনিংসের ১৪তম ওভারে ফিফটির দেখা পান মালান।
সাকিবের বলে সিঙ্গেল নিয়ে ৩৯ বলে মাইলফলকে পৌঁছান এ ব্যাটার। মালানের কিছু পরই অর্ধশতক পূরণ করেন বেয়ারস্টো। এবারও বোলার ছিলেন সাকিব। ১৬তম ওভারের শেষ বলে দুই রান নিয়ে ফিফটি পূরণ করেন বেয়ারস্টো।
উইকেটের জন্য হাপিত্যেশ করা বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তি ফেরান সেই সাকিবই। তার দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড হন বেয়ারস্টো। এর আগে করেন ৫২ রান। এরপর জো রুটকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন মালান।
দারুণ ব্যাটিংয়ে ইনিংসের ৩২তম ওভারে সেঞ্চুরির স্বাদ পান মালান। ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরির দেখা পেতে তিনি খেলেন ৯১ বল। জো রুটও পান ফিফটির দেখা। শরিফুলের বলে চার হাঁকিয়ে ৪৪ বলে অর্ধশতক পূরণ করেন এ ব্যাটার।
সেঞ্চুরির পর আরো আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন মালান। একেরপর এক বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠাতে থাকেন তিনি। যেভাবে এগোচ্ছিলেন তাতে ডাবল সেঞ্চুরির পথে ছিলেন তিনি। তবে তাকে নিরাশ করেন মাহেদী হাসান।
৩৮তম ওভারে মালানকে বোকা বানিয়ে বোল্ড করেন মাহেদী। তবে এর আগে এ ওপেনার ১০৭ বলে খেলেন ১৪০ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস। রুট ও জস বাটলার মিলে এখন দলকে এগিয়ে নিচ্ছেন।