জাতীয় দলের জার্সি গায়ে তোলার পর থেকেই নিজেকে প্রমাণ করে যাচ্ছেন মোরসালিন। এমন ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে তাকে দেশের ফুটবলের নতুন তারকা ভাবছেন অনেকেই।
লেবানন ম্যাচের অসাধারণ গোল মোরসালিনকে চিনিয়েছে আরো বেশি। ১৮ বছর পূর্ণ না হতেই পেয়েছেন খ্যাতি। ডেভিড বেকহ্যাম, রোনালদোর মত নাম্বার সেভেন জার্সির মর্যাদা রাখতে চান। অথচ পড়াশোনার চাপে ফুটবল খেলাটাই হতো না যদি না মামার সহযোগিতা না পেতেন।
.png)
ক্যারিয়ারের শুরুতে পরিবার থেকে তেমন সমর্থন পাননি মোরসালিন। মা-বাবা সমর্থন না দিলেও মোরসালিনের মামা তাকে যথেষ্ট সাহায্য করেছে ফুটবলার হতে। একই সঙ্গে তরুণ এই ফুটবলার জানান, বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে চুক্তি করাটা তার ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট।
মোরসালিন বলেন, ‘আমার মা-বাবা কেউই চাই না যে আমি ফুটবল খেলি। কিন্তু আমার এক মামা আছে, ওনি আমাকে অনুশীলনের জন্য প্রতিদিন স্টেডিয়ামে নিয়ে যেতো। অনুশীলন করতে সহযোগিতা করতো।’
তিনি আরে বলেন, ‘করোনার সময় একজন বিদেশী কোচ এসেছিল। উনি আসার পর আমি নিজেকে চিনতে পেরেছিলাম। বুঝতে পেরেছিলাম হয়তো আমাকে দিয়ে কিছু হবে ফুটবলে। বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে চুক্তি করাটা আমার লাইফের টার্নিং পয়েন্ট ছিল।’
মোরসালিন বলেন, ‘বিকেএসপি থেকেই আমার কোচরা আমাকে অনুপ্রাণিত করতো লং শ্যুট করার জন্য। প্রত্যেক ম্যাচে সুযোগ পেলে চেষ্টা করতাম, অনেক সময় বাইরে দিয়ে যেতো। স্বপ্ন আছে বাইরের দেশের লিগে খেলা। লক্ষ্য থাকবে একজন শিক্ষিত ফুটবলার হওয়ার।’