প্রতিপক্ষের মাঠে ম্যাচের তিনটি গোলই হয় দ্বিতীয়ার্ধে। জাভি মুনোসের গোলে পিছিয়ে পড়ার পর মাদ্রিদকে সমতায় ফেরান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। শেষ দিকে রিয়ালের পক্ষে জয়সূচক গোলটি করেন অহেলিয়া চুয়ামেনি।
ম্যাচ শুরুর পঞ্চম মিনিটেই গোল করার দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের রদ্রিগো। ওয়ান-অন-ওয়ানে থেকেও কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। প্রথমার্ধে দুই দলই কোনো গোলের দেখা না পেলে সমতায় থেকে বিরতিতে যায় মাদ্রিদ-পালমাস।
.png)
দ্বিতীয়ার্ধের অষ্টম মিনিটে ডান দিক দিয়ে করা আক্রমণে রিয়ালকে হতভম্ব করে দেয় পালমাস। ডি-বক্সে ঢুকে ডিফেন্ডার আন্টোনিও রুডিগারের চ্যালেঞ্জ সামলে ছয় গজ বক্সের মুখে পাস দেন সান্দ্রো রামিরেস। ডান পায়ের নিখুঁত ছোঁয়ায় বল জালে জড়ান মুনোস।
তবে সমতা আনতে খুব বেশি দেরি করেনি রিয়াল মাদ্রিদ। এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গার বাড়ানো বল ধরে স্কোরলাইন ১-১ করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। চলতি মৌসুমে একাধিকবার শেষ দিকে গোল করে রিয়ালকে পয়েন্ট এনে দেয়া বেলিংহাম কার্ডজনিত নিষেধাজ্ঞার কারণে এ ম্যাচে ছিলেন না।
তবে বেলিংহামের কাজটি করে দেন চুয়ামেনি। ৮৪ মিনিটে গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। ২১ ম্যাচ শেষে রিয়ালের পয়েন্ট ৫৪, সমান ম্যাচে জিরোনার ৫২। ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে তিনে বার্সেলোনা। লাস পাসমাস ২২ ম্যাচে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে আটে।