স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে বিশ্বকাপের ব্যাপ্তি ও ম্যাচের সংখ্যাও। ৩০-৩২ দিনের বদলে আগামী বিশ্বকাপ হবে ৩৯ দিনের। সেই সঙ্গে ম্যাচের সংখ্যা ৬৪ থেকে বেড়ে হচ্ছে ১০৪টি!
আসন্ন এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ ১১ জুন অনুষ্ঠিত হবে মেক্সিকোর অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে। বৈশ্বিক এই আসরের ফাইনাল হবে ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে। এ মাঠের ধারণ ক্ষমতা ৮২ হাজার ৫০০।
.png)
সোমবার বিশ্বকাপের শিডিউল অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এ সময় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানিয়েছেন কোন ভেন্যুতে কোন ম্যাচ হবে।
অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামের চেয়ে বেশি বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করার সৌভাগ্য হয়নি বিশ্বের অন্য কোনো ভেন্যুর। ১৯৭০ সালে সেখানেই ফাইনালে ইতালিকে ৪-১ গোলে হারিয়েছিল ব্রাজিল, পেলে জিতেছিলেন তার তৃতীয় বিশ্বকাপ।
এর ১৬ বছর পর ঐ স্টেডিয়ামেই ডিয়েগো ম্যারাডোনা আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে হয়ে উঠেছিলেন ফুটবল ইতিহাসে সর্বকালের সেরাদের একজন। ১৯৭০ ও ১৯৮৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল ছাড়াও এই দুই বিশ্বকাপ মিলিয়ে আরো ১৭টি ম্যাচ হয়েছে মেক্সিকোর বিখ্যাত স্টেডিয়ামটিতে। হবে ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচসহ মোট পাঁচটি ম্যাচও।
অন্যদিকে, টুর্নামেন্টের দুটি সেমিফাইনাল হবে ডালাস ও আটলান্টা শহরে। আর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ হবে লিওনেল মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামি শহরে।
৩৯ দিনের এই আসরে ১০৪টি ম্যাচ হবে তিনটি আলাদা দেশে- যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার ১৬টি শহরে। ১২ জুন লস এঞ্জেলসে হবে প্রথম ম্যাচ, একই দিন টরোন্টোতে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে কানাডা। দেশটির ডালাস শহরে হবে ৯টি ম্যাচ।