একে অপরকে ছাড়িয়ে যেতে হলে নিজেদের সেরাটা দেবার বিকল্প নেই কারো সামনে। ঘরের মাঠে জার্মানি বাড়তি সুবিধা পাবে, এটা মানতে নারাজ এখন পর্যন্ত পয়েন্ট না হারানো স্পেন।
এই ম্যাচটির দিকে চোখ থাকবে পুরো ফুটবল বিশ্বের। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ১০ ম্যাচে জয়ের ধারা ধরে রেখেছে স্পেন। এই ম্যাচে জয়ী দল সেমিফাইনালে পর্তুগাল বনাম ফ্রান্সের মধ্যকার বিজয়ী দলের মোকাবেলা করবে।
.png)
ফিফা বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে অষ্টম স্থানে থাকা স্পেন ১৯৮৮ সালের পর জার্মানির বিপক্ষে শেষ ছয়টি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচের একটিতেও পরাজিত হয়নি। ছয়টি ম্যাচের তিনটিতে জয় ও তিনটি ড্র হয়েছে। ২০২২ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দুই দলের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল।
লা রোজারা ২০০৮ ইউরোর ফাইনালে জার্মানিকে ১-০ গোলে পরাজিত করেছিল। এছাড়া ২০২০ সালের নভেম্বরে উয়েফা নেশন্স লিগে জার্মানিকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল স্পেন। এই ম্যাচে ফেরান তোরেস করেছিলেন স্মরণীয় হ্যাটট্রিক।
তবে স্পেনের একটি বিস্ময়কর রেকর্ড রয়েছে। ইউরো কিংবা বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে কখনই তারা স্বাগতিক দেশকে হারাতে পারেনি। ১৯৩৪ সালের পর থেকে এমন নয়টি ম্যাচেই প্রতিটিতেই তারা পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে।
১৯৯৬ সালের পর প্রথম ইউরো জয়ের পথে ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে স্বাগতিক জার্মানি। শনিবার শেষ ষোলর ম্যাচে তারা ডেনমার্ককে ২-০ গোলে পরাজিত করে আত্মবিশ্বাস নিয়ে স্পেনের মোকাবেলা করতে যাচ্ছে।
ইউরো ২০২৪’এ সবচেয়ে বেশি গোল (১০), সবচেয়ে বেশি আক্রমণ (২৬৫), গোলের জন্য সবচেয়ে বেশি শট (৭১), গড়ে সর্বোচ্চ পজিশন (৬২%) নিয়ে শেষ আটে খেলতে এসেছে জার্মানরা। সেই সঙ্গে রয়েছে উচ্ছ্বসিত স্বাগতিক সমর্থকবৃন্দ।
নাগলসম্যান যুগ শুরু হবার আগে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১৬তম স্থানে থাকা দলটি ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নিয়েছে। সব মিলিয়ে নিজেদের এগিয়ে নিয়ে যাবার সব ক্ষেত্রই প্রস্তুত আছে ডাই ম্যানশাফদের। এখন শুধু মাঠে নিজেদের প্রমাণের অপেক্ষা।
ঘরের মাঠে শেষ আট ম্যাচে অবশ্য লা রোজাদের বিপক্ষে অপরাজিত রয়েছে জার্মাান। এর মধ্যে পাঁচটিতে জয়ী ও তিনটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে এখনো কোন স্বাগতিক দল বিদায় নেয়নি।