ম্যাচ ফিক্সিংয়ের দায়ে অভিযুক্ত শোয়েব মালিক
অলরাউন্ডার শোয়েব মালিকের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। সাবেক পাকিস্তানি ক্রিকেটার বাসিত আলী তাকে নিয়ে এমন গুরুতর অভিযোগ তোলেন। একই সঙ্গে পাকিস্তানের চলতি ঘরোয়া টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন ওয়ানডে কাপের স্ট্যালিয়ন্স দলের মেন্টর হিসেবে শোয়েবকে নিয়োগ দেওয়ায় তিনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কঠোর সমালোচনা করেন।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে অভিযোগ উত্থাপনকালে বাসিত বলেছেন, ‘যে মানুষটা নিজের দেশকে নিয়েই চিন্তাভাবনা করে না তাকে কখনোই মেন্টর পদে বসানো উচিৎ না। যে মানুষটা স্বীকার করে, আমরা সবকিছু জেনেই ম্যাচটা হেরেছি, তার কাঁধে এই দায়িত্ব দেওয়া একেবারে উচিৎ নয়। যদি কেউ প্রমাণ চায়, তাহলে আমি প্রমাণ দিয়ে দেবো। সম্প্রতি রমিজ রাজা সাহেব শোয়েব মালিকের একটি ইন্টারভিউ নিয়েছিলেন। সেখানে উনি কী বলেছিলেন?’
স্ট্যালিয়ন্সের অধিনায়ক বাবর আজমকে না বানিয়ে হারিস সোহেলকে করা হয়েছে, এমন প্রশ্ন তুলে হতাশা প্রকাশ করেন বাসিত আলী। তার ভাষ্য, ‘বাবর আজমের জন্য আমার একটাই আফসোস। সেটা হলো, সবাই অধিনায়ক হয়ে গেছে। কিন্তু শোয়েব মালিক তাকে (বাবর) অধিনায়ক করেননি। তার পরিবর্তে হারিসের হাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বাবর আজমের পকেট থেকে আপনি ১০টা হারিস বের করতে পারবেন।’
‘এটা তার (বাবর) জন্য অনেক বড় অপমান। বাবরও কাপুরুষ। উমর আকমল বা আহমেদ শেহজাদ যেভাবে খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন, তারও এমনটা করা উচিৎ ছিল।’
বাবরের পরিবর্তে হারিসকে অধিনায়কত্ব দেওয়ার কারণ অবশ্য আগেই দিয়েছেন শোয়েব মালিক। তার ভাষ্য, ‘আমরা আলোচনা করেছি। কেবলমাত্র সেই খেলোয়াড়দেরই অধিনায়ক নির্বাচিত করা হবে, যারা আমার দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে ভূমিকা পালন করতে পারে। যাদের কিছু দক্ষতাও রয়েছে। আমার দৃষ্টিকোণ থেকে একজন অধিনায়কের দক্ষতা ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের থেকে আলাদা। আমি এমন কাউকে অধিনায়ক বাছাই করার পরিকল্পনা করছি, যার দক্ষতা আছে এবং দীর্ঘমেয়াদে পাকিস্তানকে সাফল্য দিতে পারে।’
৪২ বছর বয়সে পা রাখা শোয়েব মালিক কয়েকদিন আগেই জানিয়েছিলেন, ২০২৪ সালে টি-২০ বিশ্বকাপের আগে তিনি একটি বড় প্রস্তাব পেয়েছিলেন। তাকে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের নির্বাচক হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও সেটি তিনি গ্রহণ করেননি।