শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৪৯.৪ ওভারে অল আউট হওয়ার আগে ২৩৫ রান সংগ্রহ করেছে আফগানিস্তান। জবাবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩১.৪ ওভারে পাঁচ উইকেটে ১৩৫ রান।
সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দেখেশুনে শুরু করেন সৌম্য সরকার ও তানজিদ হাসান তামিম। তবে তামিম বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে গজনফরের বলে ব্যক্তিগত ৩ রানে বোল্ড হন তিনি।
.png)
তামিম ফিরলেও দলের রানের চাকা সচল রাখেন সৌম্য ও নাজমুল হোসেন শান্ত। দুজনের পাল্টা আক্রমণে ব্যাকফুটে চলে যায় আফগানরা। তবে এরই মাঝে ওমরজাইকে পুল করতে গিয়ে ৩৩ রানে আউট হন সৌম্য।
ব্যাটিং অর্ডারে প্রমোশন পেয়ে সেটার প্রতিদান ভালোভাবেই দিচ্ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। কিন্তু অল্প সময়ের ব্যবধানে সুইপ করতে গিয়ে তিনি ও শান্ত সাজঘরে ফেরেন। প্রথমে নবীকে ৪৭ রানে আউট হন শান্ত। এরপর মিরাজ ফেরেন ২৮ রানে।
ছয়ে নেমে সুবিধা করতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। রশিদ খানের বলে বোল্ড হওয়ার আগে মাত্র ২ রান করতে পারেন তিনি। ক্রিজে এখন ব্যাট করছেন তাওহীদ হৃদয় ও মুশফিকুর রহিম।
এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন আফগানিস্তান অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শাহিদি। যেখানে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল স্বপ্নের মতো। দলীয় ৭১ রানের মাঝেই আফগানদের অর্ধেক ব্যাটারকে সাজঘরে পাঠিয়েছিল টাইগাররা।
ধ্বংসস্তুপের মধ্য থেকে লড়াই করেন শাহিদি ও মোহাম্মদ নবী। ষষ্ঠ উইকেটে দুজনের ১০৪ রানের জুটিতে ম্যাচে দারুণভাবে ফিরে আসে আফগানিস্তান। শাহিদি ৫২ রানে ফিরলেও ৮৪ রানের অনবদ্য এক ইনিংস উপহার দেন নবী।
শেষে এসে ২৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ এক ক্যামিও খেলেন নাঙ্গেয়ালিয়া খারোটে। তার ব্যাটেই আফগানদের লড়াকু সংগ্রহ নিশ্চিত হয়। বাংলাদেশের হয়ে মুস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ চারটি এবং শরিফুল ইসলাম একটি করে উইকেট নেন।