শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) ৬ উইকেটে ৩১১ রান নিয়ে ক্যাঙ্গারুরা দিনের খেলা শুরু করে। সপ্তম উইকেটে ১১২ রানের জুটি গড়েন স্মিথ ও কামিন্স। স্পিন অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজার শিকার হয়ে কামিন্স মাত্র এক রানের জন্য হাফ সেঞ্চুরি বঞ্চিত হন।
ক্যারিয়ারের ৩৪তম ও ভারতের বিপক্ষে ভারতের বিপক্ষে ১১তম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন স্মিথ। এর মধ্যে বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফিতে ১০টি সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। এর মাধ্যমে এ ট্রফিতে সর্বোচ্চ ৯টি করে সেঞ্চুরি করা ভারতের শচীন টেন্ডুলকার ও বিরাট কোহলিকে টপকে গেছেন স্মিথ। তৃতীয় সর্বোচ্চ ৮টি সেঞ্চুরি আছে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের।
.png)
টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের বিপক্ষে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির রেকর্ডও দখলে নিয়েছেন স্মিথ। তিনি পেছনে ফেলেছেন ইংল্যান্ডের জো রুটকে। ভারতের বিপক্ষে রুটের ১০টি সেঞ্চুরি আছে। স্মিথ ১৯৭ বলে ১৩ চার ও ৩ ছক্কায় ১৪০ রানের চমৎকার ইনিংস খেলে নবম ব্যাটার হিসেবে সাজঘরে ফেরেন। ততক্ষণে অবশ্য স্বাগতিকদের স্কোর সাড়ে চারশ ছাড়িয়ে যায়।
স্মিথের রেকর্ড গড়ার দিন অধিনায়ক হিসেবে নজির গড়েছেন কামিন্স। টেস্টে এক দলের অধিনায়ক হয়ে অন্য দলের অধিনায়ক হিসেবে আউটের রেকর্ডে অস্ট্রেলিয়ার রিচি বেনো ও পাকিস্তানের ইমরানের খানের রেকর্ড স্পর্শ করেছেন কামিন্স।
ভারতের প্রথম ইনিংসে রোহিত শর্মাকে ৩ রানে আউট করেন কামিন্স। এ নিয়ে টেস্টে অধিনায়ক হিসেবে অধিনায়ক রোহিতকে ৫ বার আউট করেছেন কামিন্স। এমন কীর্তি আছে বেনো ও ইমরানের। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক টেড ডেক্সটারকে পাঁচ বার আউট করেন বেনো এবং সুনীল গাভাস্কারকে সমান পাঁচবার শিকার করেছেন ইমরান খান।
দলীয় ৫১ রানে কামিন্সের বলে বোল্ড হন লোকেশ রাহুল। ওপেনার যশস্বী জয়সওয়ালের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ১০২ রানের জুটি গড়েন বিরাট কোহলি। রান আউটে ৮২ রানের ইনিংস খেলা জয়সওয়াল বিদায় নিলে জুটি ভাঙার পর শেষ বিকেলে ছন্দ হারায় ভারত। এক পর্যায়ে স্কোর ২ উইকেটে ১৫৩ থেকে আকস্মিকভাবে তা হয়ে যায় ৫ উইকেটে ১৫৯ রান।
স্কট বোল্যান্ডের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৩৬ রান করা কোহলি। নাইট ওয়াচম্যান আকাশদীপ রানের খাতা খোলেননি।