‘আখতারুজ্জামান এখন ভুক্তভোগী মানুষেরও নেতা’: শফিকুর রহমান
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান এখন শুধু জামায়াতে ইসলামীর নেতা নন, তিনি ভুক্তভোগী ও নির্যাতিত মানুষেরও নেতা হয়ে উঠেছেন বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর মগবাজারের মধুবাগে দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
.png)
আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তার ও আদালতে নেওয়ার সময় তাকে হেলমেট ও জ্যাকেট পরানোর প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত আমির বলেন, তাকে অপমান করতেই মাথায় হেলমেট ও বুকে জ্যাকেট পরানো হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।
বিমানবন্দরের ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অনিয়ম ও হয়রানির প্রতিবাদ করায় আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে দ্রুত মামলা করা হয়েছে। তিনি প্রবাসীদের পক্ষে কথা বলেছেন এবং বিমানবন্দরে যেসব প্রবাসীর ব্যাগ কেটে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরির অভিযোগ রয়েছে, তাদের হয়েও কথা বলেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
মামলায় আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে কাউকে শারীরিকভাবে নাজেহাল করার অভিযোগ প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তার দাবি, আখতারুজ্জামান কারও গায়ে হাত তোলেননি।
বিমানবন্দরে সিসি ক্যামেরা থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আদালতে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগের কোনো ভিডিও দেখানো হয়নি। তবে এসব বিষয়ে তার বক্তব্যই উপস্থাপিত হয়েছে; অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের বিষয়টি তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘মেজর আখতার এখন আর শুধু জামায়াতে ইসলামীর লোক ও নেতা নন। এখন তিনি সারা বাংলাদেশের ভুক্তভোগী ও নির্যাতিত মানুষের নেতা হয়ে উঠেছেন।’
মামলা হওয়ার পর আখতারুজ্জামানের সঙ্গে তার কথা হয়েছিল জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আগাম জামিন নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে আখতারুজ্জামান তাকে বলেছিলেন, তিনি কোনো অন্যায় করেননি। তাই তিনি আত্মসমর্পণ করবেন না; বরং তাকে গ্রেপ্তার করা হোক—এমন অবস্থানের কথাও জানান তিনি।
সরকারের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণকে বোকা বা অন্ধ ভাবার সুযোগ নেই। তার ভাষ্য, মানুষ এখন সবকিছু দেখতে ও বুঝতে পারে এবং কোনো ঘটনা আড়াল করা সম্ভব নয়।