ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ বইমেলা ]

গল্পে-আড্ডায় ভাঙছে বইমেলা

বইমেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:২৬, ১৭ মার্চ ২০২২
গল্পে-আড্ডায় ভাঙছে বইমেলা
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

মার্চের উত্তপ্ত উষ্ণতা নিয়ে বিদায় নিচ্ছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা -২০২২। আনন্দ-বেদনা, হাসি- আড্ডার মধ্যদিয়ে বাঙ্গালির প্রাণের মেলার যবনিকাপতন হচ্ছে আজ। লেখক-পাঠক থেকে শুরু করে দর্শনার্থীদের একটাই আক্ষেপ। আরও কিছুদিন যদি থাকতো তবে প্রিয়জনদের সঙ্গে আরো কিছু দারুণ মুহূর্ত কাটানো যেতো। 

এমনটাই বলছিলেন যশোর থেকে আসা শিশুতোষ পত্রিকা ‘দোলন’-এর সম্পাদক কামাল মুস্তাফা। তিনি আরো বলেন, গতবারের চেয়ে এবারের বইমেলা অনেক জমজমাট ছিল। যদিও মন কিছুটা খারাপ তবুও এই বিদায় ভালো কিছুর জন্য। মেলায় বিভিন্ন ধরণের কাজ দেখে নিজের অভিজ্ঞতার ঝুলি ভরলাম। এবার সময় এগুলোকে কাজে লাগিয়ে সামনের মেলাকে রঙ্গিন করার।

তিনি বলেন, একটা বছর অপেক্ষা করি এই মেলার জন্য। মেলায় এলে অনেক প্রিয় মানুষের সঙ্গে দেখা হয়, কথা হয় এবং আড্ডা হয়। এক ধরনের ভালো লাগা নিয়ে যশোর যাবো। এই ভালোলাগাই আমার কাজকে আরও তরান্বিত করবে। তবে এই অঙ্গন মনে থাকবে স্মৃতির দেয়ালে।

Advertisement

ছিন্নপত্র প্রকাশনের খালেদ রাহী বলেন, মেলায় পরিধি বড় হওয়া একপাশে যেমন পাঠক-লেখকদের ভিড় দেখা গেছে অন্যপাশে সেই তুলনায় অনেক কম। মেলার পরিধি আর একটু ছোট হলে দারুণ হতো। তবে আমার মতে মেলা ১০দিন হলে ভালো হয়। তাহলে অযথা সময় কাটাতে কেউ আসবে না বলে মনে করি।

তিনি বলেন, বাংলা একাডেমি প্রতি আহ্বান জানাবো ফেব্রুয়ারিতেই বইমেলা করার জন্য। যেহেতু আমরা একুশে বইমেলা এবং ভাষার মাস। এছাড়াও শীতের শেষ সময় হওয়া লেখক- পাঠক-দর্শনার্থীদের উপস্থিত বেশ ভালো থাকে।

মেলাকে কেন্দ্র করে কবি হিমেল বরকত এসেছেন চট্টগ্রাম থেকে। তিনি বলেন,  মেলার উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম থেকে ছুঁটে আসা। মেলা ছাড়া তো সকলের সঙ্গে দেখা হওয়ার সুযোগ অনেক কম এবং আমাদের দেশে সাহিত্য আড্ডাও খুব একটা হয় না।

তিনি বলেন, আমরা যদি নব্বইয়ের দশকের দিকে তাকাই তাহলে জেলা-উপজেলায় সাহিত্য আড্ডার বর্ণনা পাবো। কিন্তু বর্তমান সময়ে সেটা একদমই নেই বললে চলে। মেলা শেষে এই ধরণের আড্ডাগুলোয় লেখক-পাঠকদের সম্পর্ক আরো বৃদ্ধি পায়। একই সঙ্গে শুধুমাত্র সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বইমেলা নয় সারাদেশের জেলাগুলোতে বইমেলার আয়োজন হোক। শুধুমাত্র বাংলা একাডেমি পক্ষ থেকে নয় এই আয়োজন ব্যক্তিগত ভাবেও হোক। এতে করে পাঠক যেমন বৃদ্ধি পাবে তেমনি সাহিত্যের প্রতি দায়বদ্ধতা বাড়বে বলে বিশ্বাস রাখি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!