শুক্রবার মেলা শুরু হয় বেলা ১১টায়। মেলা শুরু হওয়ার পর থেকে দর্শনার্থী ও পাঠকের সংখ্যা কিছুটা কম দেখা গেছে। তবে দুপুরের পর থেকে বাড়তে থাকে মানুষের উপস্থিতি।
আর বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই জনারণ্যে পরিণত হয় বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। বইমেলার প্রবেশ মুখেও দেখা গেছে লম্বা লাইন।
.png)
বইপ্রেমীদের আনাগোনা আর ঘোরাফেরায় মুখরিত হয়ে ওঠে মেলা প্রাঙ্গণ। কেউ বই কিনছেন, কেউ হাতে নিয়ে দেখছেন আবার কেউবা প্রিয় লেখকের বই কবে আসবে খোঁজ নিচ্ছেন।
বিভিন্ন প্রকাশনীর বিক্রয়কর্মীরা জানান, ছুটির দিন বিবেচনায় দর্শনার্থী ও পাঠকের চাহিদা মেটাতে প্যাভিলিয়ন ও স্টলে যথেষ্ট বই মজুদ রাখাসহ সব প্রস্তুতি রয়েছে। তবে দুপুর পর্যন্ত মেলায় আসা দর্শনার্থীর সংখ্যা ছিল হাতেগোনা। বিকেল থেকে মানুষের উপস্থিতি বেড়েছে।
অন্বেষা প্রকাশনীর বিক্রেতা স্বপন ইসলাম বলেন, মেলায় আজ দর্শনার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি। বইও বিক্রি হচ্ছে বেশ ভালো।
বই মেলায় ঘুরতে আসা ইডেন কলেজের শিক্ষার্থী সুইটি বলেন, আগেও কয়েকবার বইমেলায় এসেছি। আজ পা ফেলার জায়গা নেই।
কাকলী প্রকাশনীর স্টল ইনচার্জ রেজাউল করিম বলেন, এবারের মেলায় প্রতিদিনই মোটামুটি ভালো ক্রেতা ছিল। করোনার পর এটা আমাদের জন্য ভালো দিক। তবে আজ ক্রেতা অনেক বেশি। আমরাও সেভাবে প্রস্তুত ছিলাম।