ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

শ্যামলীর হাইপোথাইরয়েড সেন্টারের কাছে হার মানলো রিজেন্ট-জেকেজিকেও

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৫:৫৮, ৭ নভেম্বর ২০২০
শ্যামলীর হাইপোথাইরয়েড সেন্টারের কাছে হার মানলো রিজেন্ট-জেকেজিকেও
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর শ্যামলীর হাইপোথাইরয়েড সেন্টার প্রতারণায় রিজেন্ট বা জেকেজিকেও হার মানিয়েছে। শনিবার সকালে শ্যামলীর এক নম্বর সড়কের কয়েকটি হাসপাতালে এ অভিযান শুরু হয়।

অভিযানে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। এ সময় দুইজনকে ২ বছরের কারাদণ্ড ও প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে র‍্যাব। পাশাপাশি খোঁজা হচ্ছে মালিক বাকেরকে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম

Advertisement

জানা গেছে, দশ বছর ধরে থাইরয়েড, হেপাটাইটিসের মতো পরীক্ষার ল্যাব পরিচালনা করছে হাইপোথাইরয়েড সেন্টারটি। থাইরয়েডের নানা রিপোর্টসহ হেপাটাইটিস, ব্লাড কালচারসহ চলতো নানা পরীক্ষা। মৃত চিকিৎসকের নামে সই দিয়ে মাসের পর মাস রোগীদের দেয়া হতো ভুয়া রিপোর্ট। 

শুধু তাই নয় রিপোর্ট দিতে ব্যবহৃত হতো নামি চিকিৎসকের নাম। সর্বশেষ অধ্যাপক মনিরুজ্জামানের স্বাক্ষরে অক্টোবরে রিপোর্ট দেয়া হলেও এই চিকিৎসক করোনায় প্রাণ হারান মে মাসের প্রথম সপ্তাহে। এছাড়া আরো মিলেছে চিকিৎসকের স্বাক্ষর করা অসংখ্য ভুয়া রিপোর্ট। 

কর্মচারীরা বলছেন, দুই একটা টেস্ট করা হলেও বাকিগুলো দেয়া হতো অনুমান করে। বিভিন্ন জেলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হতো। হাইপোথাইরয়েড সেন্টার দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কুরিয়ারে স্যাম্পল সংগ্রহ করে মেইলে রিপোর্ট দিতো।

এ প্রসঙ্গে অভিযান পরিচালনাকারী বলেন, গত ৫ বছরে কোনো দিন প্রফেসর যথাসম্ভব এখানে বসেনি। তার মানে সবগুলো রিপোর্টই ভুয়া। তারা চিকিৎসকদের নামে অগ্রিম স্বাক্ষর নিয়ে রাখতো। অন্য হাসপাতালে অভিযান চালানোর সময় দেখেছি চিকিৎসকের পরিবর্তে টেকনিশিয়ানরা স্বাক্ষর করতো। কিন্তু এখানে পেলাম ড্রাইভাররাও স্বাক্ষর করে দিচ্ছে! 

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!