জানা গেছে, এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে দুই জনকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নেন ই-অরেঞ্জ গ্রাহকরা। সেখানে ভুক্তভোগী কেন্দ্রীয় কমিটির ব্যানারে তারা মানববন্ধন করেন। দুপুর ১২টায় বিক্ষোভ মৎস্য ভবনের দিকে আগালে পুলিশ বাধা দেয় এবং লাঠিচার্জ করে।
.png)
রমনা জোনের সহকারী কমিশনার রাজন কুমার সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রাহকদের দাবিগুলো হলো:
# ই-অরেঞ্জের সঙ্গে যুক্ত ওসি সোহেলের সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ভুক্তভোগীদের টাকা অনতিবিলম্বে ফিরিয়ে দিতে হবে।
# ই-অরেঞ্জ যেহেতু অরেঞ্জ বাংলাদেশের সিস্টার কনসার্ন তাই সকল ভুক্তভোগী গ্রাহকদের আর্থিক ক্ষতির দায়ভার অরেঞ্জ বাংলাদেশকে নিতে হবে।
# ই-অরেঞ্জ প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিবর্গ ও জড়িত সকল সরকারি আমলা, কর্তাব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করত হবে।
# এখন পর্যন্ত দায়েরকৃত সকল মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে উত্পত্তি করতে হবে।
# ই-অরেঞ্জ প্রতারণার মাস্টারমাইন্ড ওসি সোহেলকে অচিরেই দেশে ফিরে আনা আনতে হবে।
# SSLCOMMERZ এ ই-অরেঞ্জ এর কত টাকা আটকে আছে সে সম্পর্কীত তথ্য অনতিবিলম্বে প্রকাশ করে আটকে থাকা টাকাগুলো গ্রাহকদের ফিরিয়ে দিতে হবে।
# ই-তারেঞ্জের বিরুদ্ধে সকল তদন্ত রিপোর্ট অনতিবিলম্বে প্রকাশ করতে হবে।
# আসামিদের রিমান্ডে নেয়া হলো, কিন্তু কোন রিমান্ড রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি কেন? অনতিবিলম্বে রিমাডে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংবাদ সম্মেলন করে জানাতে হবে।
# অচিরেই ই-ক্যাবকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হোক। সেই সঙ্গে আইনের আওতায় এনে ই-ক্যাবের অসঙ্গতির সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক।
# ই-অরেঞ্জসহ সকল ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানকে বৈধতা দানকারী বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে ভুক্তভোগী সকল গ্রাহকদের ক্ষতির দায়ভার নিয়ে দ্রুত সমস্যা নিষ্পত্তি করতে হবে। সুষ্ঠু সমাধান না আসা পর্যন্ত আসামিদের সকল জামিন আবেদন নাকচ করে দিতে হবে।