রোববার মিরপুর ১০ নম্বরে এমআরটি-৬ স্টেশন পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএনসিসি মেয়র বলেন, এই স্টেশনে আগের পরিকল্পনা কীভাবে ইন্ট্রিগ্রেট করা যায়, সেজন্য আমরা সবাই মিলে এখানে এসেছি। আমাদের এখানে সিটি কর্পোরেশনের আঞ্চলিক কার্যালয় রয়েছে। এখানে থাকবে সিঁড়ি, লিফট, এক্সেলেটর।
.png)
এ সময় তিনি আঞ্চলিক অফিস সংলগ্ন জায়গাকে আধুনিক প্রযুক্তিসংবলিত ‘টি’ ও ‘ডি’ (ট্রান্সজিড ওরিয়েন্টেড ডেভেলপমেন্ট) নির্মাণের প্রস্তাবনা করেন, যেখানে একটি গণপরিসর থাকবে এবং ভূগর্ভস্থ গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা থাকবে।
মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, বিদেশে আমরা দেখেছি যে, মানুষ তাদের গাড়ি পার্কিং করে পাতাল রেলে বা মেট্রোরেলে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে যাতায়াত করছেন।
তিনি বলেন, উত্তর সিটির আঞ্চলিক এই কার্যালয়ের জায়গা সরকারের সিস্টেম অনুযায়ী অধিগ্রহণ করে, আমরা চাচ্ছি এখানে ৪/৫ তলা বিশিষ্ট আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং করতে। আর এর উপরে থাকবে পাবলিক ওপেন স্পেস। এতে করে যে কেউ তার মোটরসাইকেল বা গাড়ি এখানে পার্কিং করে মেট্রোরেলে বিভিন্ন জায়গায় যেতে পারবে। আমরা যদি লাইন পরিবর্তন করে অন্যদিকে যেতে চাই তাহলেও এই স্টেশনে এসে পরিবর্তন করতে হবে। এটি একটি জংশন হিসেবে কাজ করবে। যারা মেট্রো ৫ বা ৬ এ যাবে তাদের জন্য এটি একটি মিলনমেলার স্থলে পরিণত হবে।
মিরপুর ১০ নম্বরে এমআরটি-৬ স্টেশন পরিদর্শনের সময় এমআরটি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ছাড়াও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া এদিন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম সাধারণ মানুষের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মিরপুর-১৩ এলাকায় অবৈধভাবে দখল হয়ে যাওয়া একটি পার্ক পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত সেটি উদ্ধার করে সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।