বুধবার ডিএনসিসির সম্মেলন কক্ষে (নগরভবন লেভেল-৬) ডিএনসিসি ও ব্র্যাকের যৌথভাবে আয়োজিত ঢাকা শহরের স্ট্রিট ভেন্ডরদের ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অংশীজন সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
আরো পড়ুন: অনুমোদনহীন বাস চলতে পারবে না: মেয়র তাপস
.png)
তিনি বলেন, আমি বেশ কয়েকজন হকারদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের বিক্রির সময় শুরু হয় বিকেল ৪টার পর, কিন্তু তারা সকাল ১০টায় গিয়ে জায়গা দখল করে রাখে। এতে মানুষজনের চলাচলের ব্যাঘাত ঘটে। আমি তাদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, এটা কেন করে তারা? তারা জানিয়েছে, ঐ সময় না এল অন্য কেউ জায়গাটায় বসে যাবে। তাই আমরা চিন্তা করেছি, তাদের এই দখল না হয়ে যাওয়ার নিশ্চয়তাটুকু দিয়ে পথচারীদের যেন ব্যাঘাত না ঘটে সে ব্যবস্থা করা হবে।
ডিএনসিসি মেয়র আরো বলেন, সপ্তাহের কিছু দিন, কয়েকটা রাস্তায় এটা বাস্তবায়ন করা হবে। এভাবে তাদের এক সময় পুনর্বাসন করা হবে। উন্নত অনেক দেশে রাস্তার পাশে ফুটকোর্টের মতোও আছে, সেটার বিষয়েও ভাবা হবে।
আরো পড়ুন: ড্রেনে ময়লা ফেললে ২ বছর কারাদণ্ড
মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, সরকারি জায়গা সবার সমান অধিকার। ভেন্ডরদের এই বিষয়গুলো ব্যবস্থাপনার জন্য আমরা ওয়ার্কিং কমিটি করে দিতে চাই। ওয়ার্কিং কমিটি পলিসি তৈরি করে দেবে। কাদের এসব জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হবে সেটাও স্থির করতে হবে। প্রয়োজনে পিপিপিতে (পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ) কাজ করতে হবে। এ কাজে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে আসতে হবে, ভালো থাকার জন্য।
তিনি বলেন, সবাইকে নিয়ে একটি মানবিক নগর গড়ে তুলতে চাই। সর্বস্তর থেকে সবার সহযোগিতা পেলে এটি সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।