সোমবার বিকালে রাজধানীর গুলশানের নগর ভবনে নিজ কার্যালয়ে ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নিতে গিয়ে তিনি একথা বলেন।
ডিএনসিসি মেয়র বলেন, চলতি বছরের প্রথম ১১ মাসেই খালগুলো থেকে প্রায় ৬৯ হাজার ২৩৮ মেট্রিক টন ভাসমান বর্জ্য এবং নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য আরো প্রায় ১০ হাজার মেট্রিক টন স্লাজ অপসারণ করা হয়েছে।
.png)
তিনি বলেন, এরই মধ্যে যেসব খাল থেকে বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে সেসব খালের পানিপ্রবাহও বৃদ্ধি পেয়েছে। খালগুলো পরিষ্কারকরণের ফলেই গত বর্ষা মৌসুমে নগরবাসীকে জলজট ও জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
মেয়র বলেন, অপরিকল্পিত ঢাকার অধিকাংশ ভবনেই কার্যকর সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল না থাকার কারণে অপরিশোধিত পয়ঃবর্জ্য সরাসরি ড্রেন কিংবা খালে পতিত হওয়ায় জলাশয়ের পানিসহ সার্বিক পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। তাই নগরীর বাসাবাড়িগুলোতে আধুনিক সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল স্থাপনপূর্বক পরিশোধন ব্যবস্থা সচল রাখতে হবে।
আতিকুল ইসলাম আরো বলেন, সবাই মিলে সবার ঢাকাকে দখল, দূষণ ও দুষ্ট লোকের কবল থেকে মুক্ত করে সবার বাসযোগ্য সুস্থ, সচল ও আধুনিক ঢাকায় পরিণত করতে হবে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।