সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সায়েমুল হুদা জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার বাবা মারা যান। এর আগেই করোনাভাইরাস পরীক্ষায় তার পজেটিভ আসে।
২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন আট তলা রানা প্লাজা ধসে নিহত হন এক হাজার ১৩৫ জন। প্রাণে বেঁচে গেলেও পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয় আরো হাজারখানেক পোশাক শ্রমিককে। ঘটনার দিনই সাভার থানায় দুটি মামলা হয়। পরের বছর দুর্নীতি দমন কমিশন দায়ের করে আরেকটি মামলা। সেই মামলায় রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা কারাগারে রয়েছেন। রানার বাবা আব্দুল খালেককেও ওই মামলায় আসামি করা হয়। তিনি জামিনে ছিলেন।
.png)
স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সায়েমুল বলেন, কয়েক দিন আগে করোনাভাইরাস পরীক্ষায় রানার বাবা খালেকের পজেটিভ আসে। বৃহস্পতিবার ভোরে তিনি নিজের বাড়িতে মারা যান।