তদন্তে দেখা গেছে যে, করোনাভাইরাস চিকিৎসায় ভারতে ব্যবহৃত হওয়া দুটি জীবন রক্ষাকারী ওষুধ রেমডিসিভির এবং টসিলিজুমাব-এর চাহিদা এতটাই বেড়ে গেছে যে সেগুলো এখন আর খোলা বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিবিসি অভিনব শর্মা নামে একজনের সাথে কথা বলেছেন যার চাচা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত।
.png)
তারা অবস্থা খারাপ হওয়ার পর ডাক্তার শেষ চেষ্টা হিসেবে রেমডিসিভির ব্যবহার করার পরামর্শ দেন।
কিন্তু সেটা খোলা বাজারে পাওয়া এতটাই কঠিন যে শেষ পর্যন্ত তাকে কালো বাজার থেকে সাতগুণ দাম দিয়ে সেটা কিনতে হয়।
রেমডিসিভির-এর সরকারি বাজার মূল্য ৫,৪০০ রুপি। কিন্তু কালোবাজারিরা এর জন্য ৩০ হাজার থেকে ৩৮ হাজার রুপি পর্যন্ত দাম হাঁকছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কেবল মাত্র চাহিদার তুলনায় যোগান কম থাকায় এ ধরনের ঘটনা ঘটছে।
রেমডিসিভির ওষুধটির প্রকৃত প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান গিলিয়াড সায়েন্সেস থেকে জানানো হয়েছে, তারা ভারতের চারটি ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান – সিপলা, জুবিল্যান্ট লাইফ, হেটেরো ড্রাগস ও মাইলোন’কে এটি উৎপাদনের অনুমতি দিয়েছে। তবে বর্তমানে ওষুধটি উৎপাদন করছে কেবল হেটেরো ড্রাগস।
এদিকে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনসংখ্যার দেশ ভারতে মহামারি করোনাভাইরাসের তাণ্ডব বেড়েই চলছে। প্রতিদিনই বাড়ছে সেখানে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা।
আন্তর্জাতিক জরিপসংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, ভারতে এখন পর্যন্ত মোট ৭ লাখ ২৩ হাজার ১৯৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২০ হাজার ২০১ জনের।