একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৮ লাখ ৮৯ হাজার ৯৮১ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে প্রায় এক লাখ। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৪৮ কোটি ২৮ লাখ ১১ হাজার ৯৪৬ জনে দাঁড়িয়েছে।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে মঙ্গলবার সকালের দিকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
.png)
ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণে ঘটেছে জার্মানিতে। এ সময়ে দেশটিতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ১৪ হাজার ৩৫ জন এবং মারা গেছেন ১৫৯ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে ইউরোপের এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ কোটি ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৭২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ২৯ হাজার ১০৬ জন মারা গেছেন।
আরো পড়ুন>>> রমজান উপলক্ষে আমিরাতে ৫৪০ বন্দিকে ক্ষমা
অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রাশিয়া। এ সময়ে দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৩৫ জন এবং নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ২১ হাজার ১০১ জন। এছাড়া মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৭৭ লাখ ৮৩ হাজার ৮৪৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৬৮৬ জনের।
এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৫৪৪ জন এবং মারা গেছেন ১৩১ জন। করোনাভাইরাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এ দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৮ কোটি ১৬ লাখ ৪৯ হাজার ৩৩৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১০ লাখ ৩ হাজার ৯৯৫ জন মারা গেছেন।
লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৮৬ জন এবং নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৯ হাজার ৯২৩ জন।
প্রতিবেশী দেশ ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩২ জন এবং নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৯৯৯ জন। মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪ কোটি ৩০ লাখ ২১ হাজার ৭২২ জন এবং মারা গেছেন ৫ লাখ ২১ হাজার ৯৮ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় তুরস্কে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ হাজার ৩৬৪ জন এবং মারা গেছেন ৬১ জন। একই সময়ে ইতালিতে নতুন করে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার ৭১০ জন এবং মারা গেছেন ৯৫ জন। ইন্দোনেশিয়ায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৭৯৮ জন এবং মারা গেছেন ১০৪ জন।
চীনের উহানে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে।