শনিবার সকালে বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হালনাগাদ প্রকাশকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার্স থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
ওয়েবসাইটটির তথ্যানুযায়ী, দৈনিক করোনা সংক্রমণের হিসাবে শীর্ষে ছিল ফ্রান্স। দেশটিতে করোনায় শনাক্ত হয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৬ জন এবং মারা গেছেন ৫২ জন।
.png)
একইদিনে কোভিডজনিত অসুস্থতায় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে ব্রাজিলে। দেশটিতে করোনা সংক্রমিত হয়ে মারা যান ২৯৮ জন এবং শনাক্ত হয়েছেন ৭৫ হাজার ৭৪৯ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রে ১ লাখ ২ হাজার ৫৪৯ জন নতুন আক্রান্ত হয়েছেন। এ সময়ে মারা গেছেন ২৮১ জন। ইতালিতে নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬ হাজার ৩৩৪ জন এবং মারা গেছেন ৭২ জন। তাইওয়ানে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ১২১ জন এবং নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ৮০০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাজ্যে মারা গেছেন ৮৭ জন এবং নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ হাজার ৭২০ জন।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে বিশ্বের প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। প্রথম মৃত্যুর ঘটনাটিও ঘটে চীনে। পরে দ্রুতগতিতে বিভিন্ন দেশে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়লে ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি সারাবিশ্বে জরুরি অবস্থা জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। জরুরি অবস্থার পর কোনো উন্নতি না ঘটায় ঐ বছরের ১১ মার্চ করোনাকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে ডব্লিউএইচও।