একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ৩৮ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে ৭০ হাজারের বেশি। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪ কোটি ৬৩ লাখ ৮৪ হাজার ৬ জনে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে জাপানে। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৯ হাজার ১১৭ জন এবং মারা গেছেন ১০৩ জন।
.png)
অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফ্রান্স। গত ২৪ ঘণ্টায় এই দেশটিতে নতুন করে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৩০৪ জন এবং মারা গেছেন ৯৫ জন।
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ৫ হাজার ৪৮ জন এবং মারা গেছেন ৫০ জন। ইন্দোনেশিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২২৫ জন এবং মারা গেছেন ৫৯ জন।
যুক্তরাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৭১০ জন এবং মারা গেছেন ৮০ জন। দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ২২ হাজার ৩২৭ জন এবং মারা গেছেন ৪৪ জন।
তাইওয়ানে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ১০ হাজার ৬৫৯ জন এবং মারা গেছেন ৪১ জন। থাইল্যান্ডে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৯১৪ জন এবং মারা গেছেন ৭৪ জন। ব্রাজিলে মারা গেছেন ৪১ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ হাজার ৭১০ জন।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামা