কোভিড-১৯ এর নতুন উপ-ধরনের ক্ষমতা কেমন, এর নিয়ন্ত্রণ বা প্রতিরোধ ক্ষমতা কী তা নিয়ে এবার বার্তা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
জেএন.১ কে ‘ভ্যারিয়্যান্ট অব ইন্টারেস্ট’ হিসেবে ব্যাখ্যা দিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দাবি, এ উপ-ধরনের সংক্রমণের ফলে মৃত্যুর আশঙ্কা প্রায় নেই বললেই চলে। এছাড়া এটি আগের উপ-ধরনের চেয়ে বেশি ক্ষতিকর নয়। কোভিডের প্রতিষেধক নিলে এর সংক্রমণের হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করা যাবে।
.png)
এর আগে, করোনাভাইরাসের আরো একটি উপ-ধরনের খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল। যার নাম বিএ.২.৮৬। আমেরিকার রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিরোধ কেন্দ্র থেকে জানানো হয়, জেএন.১ এবং বিএ.২.৮৬-এর মধ্যে ফারাক খুবই সামান্য।
করোনার এ উপ-ধরন প্রথম পাওয়া গিয়েছিল আমেরিকায়। গত সেপ্টেম্বরে এর খোঁজ মেলে। ডিসেম্বরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আমেরিকায় যে ক’জন কোভিড রোগী এ মুহূর্তে আছেন, তাদের ১৫-২৯ শতাংশের দেহে রয়েছে জেএন.১।