পৌর এলাকার ডেভিড কোম্পানি পাড়ার বাসিন্দা জামিনা বেগম বলেন, কুড়ানো কাগজ ও প্লাস্টিকের বোতল বিক্রি করে খাই। ভালো খাবার কিনে খেতেও পারি না । তাই প্রতিদিন ইফতারের সময় হলেই রেলস্টেশনে এসে ইফতারি করি।
সাঘাটার ভেলুরপাড়া গ্রামের আজমা বেগম বলেন, নাতিকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিদিন শহরে এসে ভিক্ষা করি। বেলা শেষে ইফতারের সময় হলেই যেখানেই থাকি এখানে চলে আসি ইফতার করতে। ছেলেগুলো আমাকে ইফতারি দেয়।
.png)
জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন মামুন বলেন, এমন অনেক দুস্থ মানুষ আছেন যারা ইফতারসামগ্রী কিনে খেতে পারেন না। তারা প্রতিদিন আমাদের এখানে এসে ইফতারি করেন। এ ছাড়া ট্রেনে যাতায়াতকারী যাত্রী, স্থানীয় রোজাদারদের আমরা ইফতার দিয়ে থাকি।
ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম