ওই গৃহবধূর নাম জেসমিন আক্তার। এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী মো. সবুজ ও স্বামীর বন্ধু মো. কাউছার ও কাউছারের বাবা দুলাল মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। তারা তিনজনই রিকশাচালক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে স্বামী সবুজ উত্তেজিত হয়ে স্ত্রী জেসমিনকে মারধর করেন। বৃহস্পতিবার সকালে সালিসের নামে স্বামীর উপস্থিতিতে তার বন্ধু কাউছারও কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে জেসমিনকে লাঠি দিয়ে পেটান। তখন কাউছারের বাবাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
.png)
এই অপমান সইতে না পেরে জেসমিন তার ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পেয়ে দাগনভূঞা থানা-পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
দাগনভূঞা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) পার্থ প্রতীম দেব জানান, স্বামী ও তার বন্ধুর মারধর, অপমান সইতে না পেরে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ঘটনায় দাগনভূঞা পৌরসভার কাউন্সিলর কামরুল ইসলামের সহযোগিতায় ওই গৃহবধূর স্বামীসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।