জানা গেছে, বরগুনা পৌর এলাকার ৪নং ওয়ার্ডের ডিকেপি এলাকার ডাক্তার বাড়ি রোডের বাসিন্দা বর্তমানে ঝালকাঠি সদর থানার এসআই দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে খুনি রিফাত ফরাজী এর আগে হামলা চালিয়েছিল।
তিনি জানান, রিফাত ফরাজী প্রায় দুই বছর আগে তার বাসার সামনে বখাটেদের নিয়ে আড্ডা দিতো। এ নিয়ে আমার স্ত্রী প্রতিবাদ করায় হামলা চালায় রিফাত ফরাজী। প্রতিনিয়ত নেশা করতো এবং তার সঙ্গে অনেক প্রভাবশালীর ছেলেরা থাকতো। আমার বাসায়ও চাপাতি নিয়ে হামলা চালিয়েছিল রিফাত ফরাজী। ওই সময় আমার ঘরের আসবাবপত্র কুপিয়ে তছনছ করে হুমকি দিয়ে যায়। পরে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কিন্তু কিছুদিন পরই ছাড়া পেয়ে যায় রিফাত ফরাজী।
.png)
রিফাতের প্রতিবেশীরা জানান, মাদক ব্যবসা, মাদক সেবন ও ছিনতাইসহ নানা অপকর্মে যুক্ত রিফাত ফরাজী। এ কারণে স্থানীয়দের কাছে একটি আতঙ্কের নাম রিফাত ফরাজী। রিফাতের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন, এমন মানুষের সংখ্যা কম নয়। বরগুনা পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের ধানসিঁড়ি রোডের মো. দুলাল ফরাজীর বড় ছেলে তিনি।
প্রতিবেশী ও স্থানীয়দের ওপর হামলা, মারধর রিফাতের কাছে নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। এসব কারণে কয়েকবার গ্রেফতার হলেও অজ্ঞাত এক কারণে খুব স্বল্প সময়েই মুক্তি পান তিনি। এর আগে, ২০১৭ সালের ১৫ জুলাই সন্ধ্যায় তরিকুল ইসলাম (২১) নামে এক প্রতিবেশীকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেন রিফাত ফরাজী।
ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ