বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার ছয়গাঁও ইউপির কাজল কোর্ট গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন- একই গ্রামের রিপন মুন্সী ও তার স্ত্রী শেফালী বেগম।
স্থানীয়রা জানায়, ভুক্তভোগী শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। ২৩ মে রাতে টিভি দেখার কথা বলে শিশুটিকে ডেকে নেন রিপন ও শেফালী। পরে ঘরে নিয়ে তার স্পর্শকাতর স্থানে সুতা বেঁধে নির্যাতন করেন তারা। কাউকে বিষয়টি জানালে মেরে ফেলারও হুমকি দেয়া হয়। ৮ জুন রাতে শিশুটির স্পর্শকাতর স্থান ফুলে ব্যথা শুরু হলে বিষয়টি বোনকে জানায়। পরে তাকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নেন স্বজনরা। এ ঘটনায় বুধবার রাতে থানায় মামলা করেন শিশুটির বাবা।
.png)
ভুক্তভোগীর বাবা জানান, রিপন মুন্সী তার চাচাতো ভাই। তার সঙ্গে পারিবারিক বিরোধ রয়েছে। এ কারণে সন্তানের সঙ্গে এমন করেছেন তারা।
ভেদরগঞ্জ থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।