খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ও করোনা ওয়ার্ডের মুখপাত্র ডা. মিজানুর রহমান জানান, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে এক যুবক গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা সাসপেক্টেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় তিনি মারা যান। মৃত যুবক নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
অপরদিকে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে একজন শুক্রবার দুপুর সোয়া ২টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা সাসপেক্টেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় তিনি মারা যান। মৃত ব্যক্তি খুলনা মহানগরীর ৫ নম্বর ঘাট এলাকার বাসিন্দা।
এছাড়া জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে এক নারী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা সাসপেক্টেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দুপুর সোয়া ২টায় তিনি মারা যান। মৃত ওই নারী যশোর জেলার অভয়নগরের বাসিন্দা।
.png)
এদিকে, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে একজন (পুরুষ) দুপুর ৩টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা সাসপেক্টেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল পৌনে ৪টায় তিনি মারা যান। মৃত ব্যক্তি নগরীর মহম্মদনগর এলাকার বাসিন্দা।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে করোনা উপসর্গ নিয়ে আরো একজন মারা গেছেন। তিনি মহানগরীর টুটপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি সকাল ৭ টায় হাসপাতালে ভর্তি হন।
এর আগে শুক্রবার সকালে এক বৃদ্ধ, বৃদ্ধা ও অপর আরেকজন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা সাসপেক্টেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
করোনাভাইরাস পরীক্ষা করার জন্য তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে ডা. মিজানুর রহমান জানান।