দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, ওই নারীর স্বামী জহিরুল ইসলাম ও শ্বশুর মজনু মিয়া।
টাঙ্গাইল আদালতের পরিদর্শক তানভীর আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। জহিরুল ও মজনু মিয়ার ফাঁসির আদেশ ছাড়াও অনাদায়ে প্রত্যেককে আরো এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
.png)
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৪ সালে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার তছলিম উদ্দিন তার মেয়ে তাছলিমা আক্তারকে বিয়ে দেন একই উপজেলার মজনু মিয়ার ছেলে জহিরুল ইসলামের সঙ্গে। বিয়ের পর থেকেই তাছলিমা আক্তারকে যৌতুকের জন্য মারধর করতেন তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। ২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর তাছলিমাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে তার বাবা তছলিমকে বিষয়টি জানান জহিরুল ইসলাম।
পরে ওইদিনই তছলিম উদ্দিন তার মেয়েকে না পাওয়ায় ভূঞাপুর থানায় জিডি করেন। পরদিন ২৯ নভেম্বর উপজেলার গোবিন্দাসী বাজারের পশ্চিমপাশে যমুনা নদীর পার থেকে তাছলিমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে এ ঘটনায় মেয়ে জামাই ও শ্বশুরসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে তছলিম উদ্দিন বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার পর থেকেই আসামিরা পলাতক রয়েছেন।